(বাঁ দিকে) ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। সাংসদ অভিনেতা দেব (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
এনুমারেশন ফর্ম পূরণ সম্পূর্ণই করেননি সাংসদ-অভিনেতা দেব এবং ক্রিকেটার মহম্মদ শামি। তাই তাঁরা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) শুনানির নোটিস পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দেব এবং শামিকে নির্দিষ্ট নথি নিয়ে শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। কারণ, তাঁদের এনুমারেশন ফর্ম থেকে প্রয়োজনীয় কোনও তথ্যই পাওয়া যায়নি।
কী ভাবে ফর্ম পূরণ করেছেন দেব এবং শামি? কী কী লিখতে বাকি রেখেছিলেন?
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এনুমারেশন ফর্মের কেবল উপরের অংশ পূরণ করেছেন দেব এবং শামি। নীচের অংশে কিছুই লেখেননি। দেব তাঁর ফর্মের উপরের অংশে লিখেছেন জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর, বাবার নাম এবং মায়ের নাম। নিজের আধার নম্বর, বাবা বা মায়ের এপিক নম্বরও লেখেননি। এ ছাড়া, ফর্মের নীচের অংশে দু’টি ভাগ ছিল। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের বাঁ দিকের অংশ এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদের ডান দিকের অংশ পূরণ করার কথা ছিল। দেব এই অংশ ফাঁকা রেখেই ফর্ম জমা দিয়েছেন।
শামি তাঁর ফর্মের উপরের অংশ পূরণ করেছেন। লিখেছেন জন্মতারিখ, আধার নম্বর, মোবাইল নম্বর, বাবার নাম এবং মায়ের নাম। বাবা বা মায়ের এপিক নম্বর শামি লেখেননি। ফর্মের নীচের অংশেও কোনও তথ্য দেননি। দেবের ফর্মের উপরে ডান দিকে তাঁর ছবি ছিল। কিন্তু শামির ফর্মে তা-ও ছিল না।
২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগ দেখাতে পারেননি, প্রাথমিক ভাবে তাঁদের শুনানিতে তলব করছে কমিশন। এঁদের ‘আনম্যাপ্ড’ ভোটার হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১.৩৬ কোটি ভোটার কমিশনের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে। তাঁদেরও শুনানিতে ডাকা হতে পারে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। এনুমারেশন ফর্মে ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগ দেখাতে পারেননি বলেই দেব এবং শামিকে তলব করা হয়েছে। দেবের পরিবারের আরও তিন সদস্য শুনানির নোটিস পেয়েছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে ফর্ম পূরণে কী সমস্যা ছিল, তা স্পষ্ট নয়।