Gurdwara in Germany

জার্মানিতে গুরুদ্বারে দু’পক্ষের সংঘর্ষ! জখম অন্তত ১১, পিস্তল এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হওয়ার অভিযোগ

প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানাচ্ছেন, গুরুদ্বারের তহবিল সংক্রান্ত বিষয়েও দু’পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতির বর্তমান এবং প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল বলেও জানা যাচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪৪
জার্মানির গুরুদ্বারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ।

জার্মানির গুরুদ্বারে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত।

জার্মানিতে এক গুরুদ্বারে দু’পক্ষের সংঘর্ষে জখম হলেন অন্তত ১১ জন। ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানির ডর্টমুন্ড থেকে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমে মোয়ার্স শহরে। কী কারণে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, গুরুদ্বারের নতুন পরিচালন সমিতি বাছাইকে কেন্দ্রকে করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি অন্য সম্ভাব্য দিকগুলিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

মোয়ার্সের ওই গুরুদ্বারে সংঘর্ষের বেশ কিছু ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও ওই ভি়ডিয়োগুলির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। জার্মান সংবাদপত্র বিল্ড জানাচ্ছে, সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন জড়িত ছিলেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানাচ্ছেন, সংঘর্ষের সময়ে কারও কারও হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। কেউ কেউ ‘পিপার স্প্রে’ এবং আগ্নেয়াস্ত্রও ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ।

সোমবারের ওই ঘটনা প্রসঙ্গে ৫৬ বছর বয়সি এক প্রত্যক্ষদর্শী বিল্ড-কে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগেই এক পক্ষ হঠাৎ ‘পিপার স্প্রে’ বের করে অপর পক্ষের উপর তা ছিটিয়ে দিতে শুরু করে। এর পরে এক জন পিস্তল বের করে গুলিও চালান। আমি ছুরিও দেখেছি।”

প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ জানাচ্ছেন, গুরুদ্বারের তহবিল সংক্রান্ত বিষয়েও দু’পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল। গুরুদ্বারের পরিচালন সমিতির বর্তমান এবং প্রাক্তন সদস্যদের মধ্যে এই নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল বলেও জানা যাচ্ছে। সেই বিবাদের সঙ্গে সোমবারের সংঘর্ষের কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। জানা যাচ্ছে, ওই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১১ জন জখম হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অন্তত এক জনকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে তুলতেও দেখা গিয়েছে। তবে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র এখনও খুঁজে পাননি তদন্তকারীরা।

Advertisement
আরও পড়ুন