ISIS Commander Killed

‘আর সন্ত্রাস চালাতে পারবে না’! ট্রাম্প জানালেন নাইজ়িরিয়ায় নিহত আইএসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কমান্ডার আল-মিনুকি

সোমালিয়ায় ২০২৩ সালে মার্কিন ‘স্পেশ্যাল ফোর্সে’র হামলায় বিলাল আল সুদানি নামে আইএসের এক প্রথম সারির নেতার মৃত্যু হয়েছিল। তার পরে আবার আফ্রিকার মাটিতে এমন সাফল্য পেল পেন্টাগন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ মে ২০২৬ ১০:৫৬
আফ্রিকায় আইএস বাহিনী।

আফ্রিকায় আইএস বাহিনী। —ফাইল চিত্র।

মার্কিন বাহিনী এবং নাইজ়িরিয়া সেনার যৌথ অপারেশনে নিহত হয়েছেন সন্ত্রাসবাদী সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আবু-বিলাল আল-মিনুকি। শনিবার এই ঘোষণা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিনুকি নিধনের খবর জানিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘‘উনি আর সন্ত্রাস করতে পারবে না।’’ মার্কিন ‘স্পেশ্যাল ফোর্স’কে সহায়তার জন্য নাইজ়িরিয়া সরকারকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন ট্রাম্প।

Advertisement

ট্রাম্প জানিয়েছেন, নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মিনুকির ‘গতিবিধি ও অবস্থান’ চিহ্নিত করে অভিযান চালানো হয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘‘পুরো বিষয়টি ছিল অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ।’’ অতীতে আমেরিকানদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয় করছিলেন। অতীতে আফ্রিকার মাটিতে মিনুকির পরিকল্পনায় আমেরিকার দূতাবাস এবং নাগরিকদের উপর বেশ কয়েকটি হামলা হয়েছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

সোমালিয়ায় ২০২৩ সালে আমেরিকা সেনার ‘স্পেশ্যাল ফোর্সের’ হামলায় বিলাল আল সুদানি নামে আইএসের এক প্রথম সারির নেতার মৃত্যু হয়েছিল। তার পরে আবার আফ্রিকার মাটিতে এমন সাফল্য পেল পেন্টাগন। নাইজ়িরিয়ার বর্নো প্রদেশের মাইনুক এলাকায় ১৯৮২ সালে মিনুকির জন্ম। মার্কিন বিদেশ দফতর ২০২৩ সালের জুনে তাঁকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করেছিল। প্রসঙ্গত, বর্তমানে আফ্রিকার নাইজ়িরিয়া এবং লেক চাদ অববাহিকা অঞ্চলে সক্রিয় ‘আইএস ওয়েস্ট আফ্রিকা স্টেট’-এর প্রধান ছিলেন মিনুকি। সেটিই আফ্রিকায় আইএসের সবচেয়ে বড় সামরিক শাখা। এ ছাড়া মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজ়ার (সাহেল অঞ্চল) এবং সোমালিয়ায় এই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয়তা রয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন