Minneapolis Shooting

সেই মিনিয়াপলিস, আবার ট্রাম্পবাহিনীর গুলিতে নিহত যুবক! বিক্ষোভে স্থানীয়েরা, কী দাবি মার্কিন প্রশাসনের

অভিবাসন দফতরে অভিযানের মধ্যে আবার গুলি চলল মিনিয়াপলিসে। কেন ওই আইসিই কর্তা গুলি চালালেন, তা স্পষ্ট করেছে আমেরিকার হোমল্যাল্ড সিকিউরিটি বিভাগ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪০
Another person death in Minneapolis

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আবার আমেরিকার মিনিয়াপলিসে অভিবাসন দফতর (আইসিই)-র অফিসারের গুলিতে খুন হলেন এক যুবক। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে এমনই জানিয়েছেন মিনিয়াপোলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ়। তিনি এ-ও জানান, ঘটনার পর পরই বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন।

Advertisement

দিন কয়েক আগে মিনিয়াপলিসে আইসিই-র কর্তা জোনাথন রসের গুলিতে মৃত্যু হয় ৩৭ বছর বয়সি রেনি নিকোল গুডের। ওই যুবতীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে উঠেছিল মিনিয়াপলিস। হাজার হাজার মানুষ পথে নেমেছিলেন প্রতিবাদে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তবে তার পরেও মিনিয়াপলিসে ধরপাকড় অব্যাহত রেখেছেন অভিবাসন দফতরের কর্তারা।

অভিবাসন দফতরের অভিযানের মধ্যে আবার গুলি চলল মিনিয়াপলিসে। কেন ওই আইসিই কর্তা গুলি চালালেন, তা স্পষ্ট করেছে আমেরিকার হোমল্যাল্ড সিকিউরিটি বিভাগ। তাদের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিনকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা এপি জানিয়েছে, নিহত যুবকের থেকে দু’টি ম্যাগাজিন-সহ একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর কাছে ‘হ্যান্ডগানের’ একটি ছবিও ছিল। অভিযোগ সেই ছবি নাকি ওই যুবক বিতরণ করছিলেন। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে পড়ছিল, সেই কারণে বাধ্য হয়েই গুলি চালাতে হয়।

গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে ক্ষোভের জন্ম নিয়েছে মিনিয়াপলিসে। অভিবাসন কর্তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। গভর্নর ওয়ালজ় জানান, তিনি এই বিষয়ে ট্রাম্পের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। মিনিয়াপলিসে দমন-পীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গত ৭ জানুয়ারি আইসিই-র কর্তার গুলিতে গুডের মৃত্যু হয়। তবে তাঁর মৃত্যুতে অভিযুক্ত আধিকারিকের পক্ষে সওয়াল করেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানান, ওই কর্তা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার তাগিদেই। ওই যুবতী ইচ্ছাকৃত ভাবে অভিবাসন দফতরের আধিকারিককে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ে নিজের প্রাণ বাঁচাতেই ওই ব্যক্তি গুডের গাড়ির দিকে গুলি ছোড়েন। তাতেই মহিলার মৃত্যু হয়। ট্রাম্পের পাশাপাশি, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও জোনাথনকে সমর্থন করে একই দাবি করেন। শনিবার যুবক খুনের ব্যাপারে সরাসরি না-হলেও ‘অভিযুক্ত’ অভিবাসন কর্তার পাশেই দাঁড়াল ট্রাম্প প্রশাসন।

Advertisement
আরও পড়ুন