বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। —ফাইল চিত্র।
২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর যে সব মামলা হয়েছে, সেগুলি আবার যাচাই-বাছাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। নিরীহ মানুষ যাতে ভোগান্তির শিকার না হন, সে জন্যই বিএনপি প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার এই পদক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পরে সোমবার সালাহউদ্দিন তাঁর মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন সব অধিদফতর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠকের পরে সচিবালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ‘বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে’ জানিয়ে একে একে সেগুলি তুলে ধরেন তিনি। সালাহউদ্দিন বলেন, ‘‘৫ অগস্টের পর বেশ কিছু মামলা হয়েছে, কিছু সুবিধাবাদী মানুষ সে সব মামলা করেছে। ব্যবসায়ী-সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষদের নামে মামলা করা হয়েছে। এ সব মামলা যাচাই-বাছাই করা হবে। কারণ, আমাদের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’’
নিরীহ মানুষ যাতে ভোগান্তিতে না পড়েন, সে জন্যই ৫ অগস্ট-পরবর্তী ওই মামলাগুলি আবার যাচাই করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন সালাহউদ্দিন। জুলাই আন্দোলনের জেরে হাসিনা সরকারের পতনের পরে অনেক ক্ষেত্রেই মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নিরপরাধ আওয়ামী কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে বলে অভিযোগ। এ ক্ষেত্রে নতুন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মামলা ঝাড়াই-বাছাইয়ের নির্দেশ তাই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনারও আবার তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন।