Fuel Supply Disruption

জ্বালানি সঙ্কটে ক্ষোভ বাড়ছে বাংলাদেশে

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য এক লক্ষ টন অপরিশোধিত তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়েছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে তা পর্যাপ্ত নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫৬

—প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের প্রভাব পড়ছে এই মহাদেশের অধিকাংশ দেশের উপরেই। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল না পাওয়ার পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির আশঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে হচ্ছে না পুলিশের গোয়েন্দা রিপোর্টে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, তেল পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে মানুষজনকে। বাড়ছে বিরক্তি, ক্ষোভ।

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য এক লক্ষ টন অপরিশোধিত তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যেই ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ তেল নিয়েছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে তা পর্যাপ্ত নয়। পুলিশের গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, তেল কোম্পানি থেকে যে পরিমাণ জ্বালানি পাম্পগুলিকে দেওয়া হচ্ছে, তা চাহিদার তুলনায় কম। স্বভাবতই গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি জ্বালানি তেল ঘিরে বেশ কিছু অশান্তির ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সদস্যদের মোতায়েন করা হয় অনেক পাম্পে। মজুতদারি ঠেকাতেও নেওয়া হয় নানা পদক্ষেপ। ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ করা হয়েছে পাম্পগুলিতে।

সম্প্রতি রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় বাইকচালকেরা পথ অবরোধ করেন, শরীয়তপুরে তেল না পেয়ে দেড় শতাধিক কৃষক পেট্রল পাম্প ঘেরাও করেন। এ ছাড়া, নড়াইলে তেল না পেয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপককে ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ ও উঠেছে। কেউ যাতে পরিকল্পিত ভাবে কৃত্রিম জ্বালানি সঙ্কট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।

আরও পড়ুন