Serbia

সার্বিয়া ও বলিভিয়ায় বিক্ষোভ তুঙ্গে

সমস্যার শুরু প্রায় দেড় বছর আগে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে একটি রেল স্টেশনের সেতু ভেঙে পড়াকে কেন্দ্র করে। সেই দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ধারাবাহিক বিক্ষোভ সেই সময় থেকেই শুরু হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ০৮:৪৮

ছবি: সংগৃহীত।

সার্বিয়ার রক্ষণশীল সরকারের প্রেসিডেন্ট আলেকজ়ান্ডার ভুচিচের বিরুদ্ধে সে দেশের তরুণদের ক্ষোভ তীব্র হচ্ছে। বাড়ছে বিক্ষোভের তীব্রতাও। প্রধান অভিযোগ, দুর্নীতি এবং সরকার পরিচালনায় অদক্ষতা। প্রায় এক দশকের সরকারকে সরানোর জন্য দ্রুত নির্বাচনের দাবি তুলেছেন নাগরিকদের একাংশ। রাজধানী বেলগ্রেডের বিভিন্ন জায়গায় প্রত্যেক দিন জড়ো হচ্ছেন মানুষ।

সমস্যার শুরু প্রায় দেড় বছর আগে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে একটি রেল স্টেশনের সেতু ভেঙে পড়াকে কেন্দ্র করে। সেই দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ধারাবাহিক বিক্ষোভ সেই সময় থেকেই শুরু হয়। এরই মধ্যে শনিবার বিক্ষোভকারীরা রাজধানীর প্রেসিডেন্সি ভবন এবং বেলগ্রেড সিটি হলের দিকে এগোতে থাকেন। পুলিশ বাধা দিলে তাঁরা স্লোভিয়া স্কোয়ারের দিকে সরে যান। কিন্তু সেখানে গত এক বছর ধরে প্রেসিডেন্ট ভুচিচের সমর্থকেরা শিবির করে রয়েছেন। সেই জায়গাটি ঘিরে ফেলার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে। কয়েক জন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন।

অন্য দিকে, দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়ায় দক্ষিণপন্থী সরকারের প্রধান প্রেসিডেন্ট রডরিগো পাজ়ের বিরুদ্ধেও ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ। মাত্র ছ’মাস আগে পাজ় ক্ষমতায় আসেন। সেই সময়ে ’৮০-র দশকের পরে সবচেয়ে বিপদের মধ্যে দিয়ে চলছে সে দেশের অর্থনীতি। তাকে ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর আগেই আসে ভেনেজ়ুয়েলা সঙ্কট। সেই সঙ্গে ইরান-আমেরিকা-ইজ়রায়েল যুদ্ধ। এই সবের প্রভাব পড়েছে বলিভিয়ার অর্থনীতিতে। এরই মধ্যে শিল্পপতিদের হাতে জমি তুলে দেওয়ার জন্য জমি নীতি সহজ করায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে মানুষের মধ্যে। শ্রমিকদের মজুরি, সরকারি কর্মীদের উৎসাহ ভাতা বৃদ্ধি, জমি আইনে আংশিক সংশোধনের মতো কিছু পদক্ষেপ সরকার করলেও অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি। রাজধানী লা পাজ় এবং এল অলটোর মতো বড় শহরে অবরোধ এবং পুলিশের সঙ্গে বার বার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার জন্য খাদ্য পরিবহণও সমস্যার মধ্যে পড়েছে বলে সরকারের দাবি।

আরও পড়ুন