Mashroom Murder

তিন বারের যাবজ্জীবন! বিষাক্ত মাশরুম হত্যাকাণ্ডে সেই মহিলাকে সাজা শোনাল অস্ট্রেলিয়ার আদালত

অস্ট্রেলিয়ার মাশরুম হত্যাকাণ্ড বহুল চর্চিত। বিভিন্ন পডকাস্ট বা তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে এই ভয়ঙ্কর অপরাধের বিষয়। গত জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেই বহু চর্চিত মাশরুম হত্যাকাণ্ডে দোষীর সাজা ঘোষণা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭:২৪
Convicted Australian woman in Mashroom case court given three life sentences

মাশরুম হত্যাকাণ্ডে দোষী এরিন প্যাটারসনকে সাজা শোনাল আদালত। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদকে মধ্যাহ্নভোজে নেমন্তন্ন করে ডেকে এনে বিষাক্ত মাশরুম খাইয়ে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত অস্ট্রেলিয়ান মহিলাকে তিন বারের যাবজ্জীবন সাজা দিল আদালত। অর্থাৎ প্যারোল ছাড়া ৩৩ বছর কারাবাসে থাকতে হবে পঞ্চাশোর্ধ্ব এরিন প্যাটারসনকে।

Advertisement

অস্ট্রেলিয়ার মাশরুম হত্যাকাণ্ড বহুল চর্চিত। বিভিন্ন পডকাস্ট বা তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে এই ভয়ঙ্কর অপরাধ। কী ভাবে মধ্যাহ্নভোজে মাশরুমের পদ খাইয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকদের হত্যা করেছিলেন এরিন, তা তুলে ধরা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। গত জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেই বহু চর্চিত মাশরুম হত্যাকাণ্ড মামলার মীমাংসা হয়। প্রায় তিন মাসের বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ভিক্টোরিরায় সুপ্রিম কোর্ট এরিনকে দোষী সাব্যস্ত করে। শ্বশুর, শাশুড়ি এবং ননদকে হত্যার ঘটনায় তাঁকে দোষী বলেই চিহ্নিত করেন ১২ জন জুরি।

কী ঘটেছিল? ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই। শ্বশুরবাড়ির লোকেদের নিজের বাড়িতে নেমন্তন্ন করেছিলেন এরিন। নিজেই হাতেই রান্না করেছিলেন তাঁদের জন্য। বানিয়েছিলেন একটি পদ। তাতেই মেশানো ছিল মাশরুম। সেই সময় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন না এরিন। দাম্পত্যকলহের কারণে আলাদাই থাকতেন দু’জনে। সেই পরিস্থিতিতে এরিনের আপ্যায়নে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন শ্বশুর, শ্বাশুড়ি, ননদ এবং ননদের স্বামী। কিন্তু খাবার খেয়ে ওঠার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁরা। হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে জানা যায়, তাঁদের খাবারে ‘ডেথ ক্যাপ মাশরুম’। এই মাশরুম বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত মাশরুম বলেই পরিচিত।

একে একে মৃত্যু হয় শ্বশুর, শাশুড়ি এবং ননদের। কিন্তু ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান ননদের স্বামী। মাসখানেক ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা চলেছিল তাঁর। তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার কিছু দিন পরেই এরিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। খুন এবং খুনের চেষ্টার ধারায় মামলা দায়ের করে শুরু হয় তদন্ত। জানা যায়, ঘটনার দিন নিজের স্বামী সাইমনকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন এরিন। কিন্তু তিনি সে দিন যেতে পারেননি। ফলে বেঁচে যান তিনিও। সেই হত্যাকাণ্ডে সাজা ঘোষণা করল আদালত।

Advertisement
আরও পড়ুন