Donald Trump and Xi Jinping

চিনে যাবেন, ঘোষণা ট্রাম্পের, জিনপিংকেও আমন্ত্রণ জানালেন আমেরিকায়, হোয়াইট হাউসের উদ্যোগেই ফোনালাপ দু’জনের?

কথা হয়েছে। এ বার দেখাও হবে দু’জনের! চিনে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপের পর সে কথা নিজেই জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৬ জুন ২০২৫ ১৪:৫৫
(বাঁ দিকে) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

(বাঁ দিকে) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

কথা হয়েছে। এ বার দেখাও হবে দু’জনের! চিনে যাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপের পর সে কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement

গত ২ এপ্রিল ট্রাম্প আমেরিকার নতুন শুল্কনীতি ঘোষণার করার পর দু’দেশের সম্পর্কে শৈত্য দেখা দিয়েছিল। তার পর বৃহস্পতিবার, এই প্রথম ফোনে কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। সংবাদমাধ্যম বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের সরকারি প্রচারমাধ্যমের দাবি, হোয়াইট হাউসের উদ্যোগেই ট্রাম্প এবং জিনপিংয়ের ফোনালাপ সম্ভব হয়েছে।

দেড় ঘণ্টার ফোনালাপের পর ট্রাম্পই সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, দু’জনের মধ্যে খুব ভাল কথা হয়েছে। বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনায় ইতিবাচক দিক উঠে এসেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘‘উনি আমাকে চিনে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমিও ওঁকে এখানে আসতে বলেছি। আমরা দু’জনেই একে অপরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। আমি ফার্স্ট লেডিকে সঙ্গে নিয়েই কখনও চিনে যাব। আশা করি, উনিও চিনের ফার্স্ট লেডিকে নিয়ে আমেরিকায় আসবেন।’’ যদিও ট্রাম্প কবে চিনে যাবেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও ইঙ্গিত মেলেনি।

বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের সরকারি প্রচারমাধ্যমে শুধুমাত্র জিনপিংয়ের ট্রাম্পকে আমন্ত্রণের বিষয়টিই উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে তা গ্রহণ করেছেন, সে কথা উল্লেখ করা হয়নি। চিনের সংবাদ সংস্থা ‘জিনহুয়া’ লিখেছে, চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকা যে সব ‘নেতিবাচক পদক্ষেপ’ করেছে, ট্রাম্পকে তা তুলে নেওয়ার জন্য বলেছেন জিনপিং।

প্রসঙ্গত, গত ২ এপ্রিল অন্য দেশগুলির পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ করার সময় চিনের উপরে আরও ৩৪ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিল আমেরিকা। পাল্টা চিনা বাজারে আমেরিকার পণ্যের উপর শুল্ক চাপায় বেজিং। তাতে শুল্ক সংঘাত আরও বাড়ে দু’দেশের মধ্যে। ট্রাম্প আরও ৫০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেন। তাতে মোট শুল্কের পরিমাণ হয় ৮৪ শতাংশ। তার সঙ্গে পূর্বের ২০ শতাংশ শুল্ক যুক্ত করলে তা দাঁড়ায় ১০৪ শতাংশে। তার পর দফায় দফায় চিনা পণ্যের উপর আরও শুল্ক বৃদ্ধি করে আমেরিকা। শেষমেশ তা বেড়ে হয় ১৪৫ শতাংশ।

ওই পরিস্থিতিতে গত মাসেই শুল্ক নিয়ে আলোচনার জন্য সুইৎজ়ারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্তারা বৈঠকে বসেছিলেন। ওই বৈঠকের আগেই শুল্ক কমানোর ব্যাপারে আভাস দিয়েছিলেন ট্রাম্প। জানিয়েছিলেন চিনা পণ্যের উপর শুল্ক ১৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮০ শতাংশ করা হতে পারে। তবে পুরোটাই নির্ভর করছে জেনেভার বৈঠকের উপরে। ওই বৈঠকের পরে দু’দেশই ৯০ দিনের জন্য শুল্কযুদ্ধ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তার পরেই বৃহস্পতিবার ফোনালাপ হয় ট্রাম্প-জিনপিংয়ের।

Advertisement
আরও পড়ুন