French President on Donald Trump

খোঁচা খান প্রায়শই, এ বার ট্রাম্পকে পাল্টা খোঁচা ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁর! আমেরিকার সঙ্গে জুড়লেন চিনকেও

মঙ্গলবার ‘ফিনানশিয়াল টাইম্‌স’-কে একটি সাক্ষাৎকার দেন মাক্রোঁ। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা চিনের সুনামির মুখোমুখি হচ্ছি। অন্য দিকে, আমেরিকার দিক থেকে বার বার স্থিতাবস্থা নড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩০
(বাঁ দিকে) ইমানুয়েল মাক্রোঁ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)

(বাঁ দিকে) ইমানুয়েল মাক্রোঁ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে) —ফাইল চিত্র।

প্রায়ই তাঁকে খোঁচা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বার তাঁকে পাল্টা খোঁচা দিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ। শুধু তা-ই নয়, ট্রাম্প প্রশাসনের বিবিধ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে আমেরিকাকে চিনের সঙ্গে কার্যত একাসনে বসালেন তিনি। চলতি বছরের শেষে আমেরিকা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর দেশগুলির সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে পারে বলেও ভবিষ্যদ্বাণী করলেন।

Advertisement

মঙ্গলবার ‘ফিনানশিয়াল টাইম্‌স’-কে একটি সাক্ষাৎকার দেন মাক্রোঁ। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমরা চিনের সুনামির মুখোমুখি হচ্ছি। অন্য দিকে, আমেরিকার দিক থেকে বার বার স্থিতাবস্থা নড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।” ট্রাম্প প্রশাসনকে সরাসরি ‘ইউরোপ-বিরোধী’ বলেও তোপ দাগেন তিনি। ট্রাম্পের নাম না-করেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, “যখন আগ্রাসি আচরণ করা হবে, তখন মাথা নত করা ঠিক নয়। বোঝাপড়ায় আসায় উচিত নয়।”

ফ্রান্স, স্পেনের মতে ইউরোপের বেশ কিছু দেশ শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছে। এই সিদ্ধান্তকে আমেরিকা যে ভাল ভাবে নিচ্ছে না, তা আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। মাক্রোঁর দাবি, বছরের শেষে এই বিষয়টিকে নিয়ে সংঘাতের পথে হাঁটতে পারেন ট্রাম্প। এই প্রসঙ্গে অবশ্য আমেরিকাকে কঠোর বার্তা দিয়ে মাক্রোঁ বলেন, “ইউরোপীয়দের বলা উচিত যে, আমাদের শিশুদের মাথা বিক্রির জন্য নয়। আমাদের শিশুদের আবেগকে ব্যবহার করে আমেরিকা কিংবা চিনের সমাজমাধ্যমগুলি অর্থ উপার্জন করতে পারে না।”

প্রসঙ্গত, এর আগে একাধিক বার মাক্রোঁকে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। গাজ়ায় শান্তি ফেরানোর জন্য তাঁর প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দিতে রাজি না-হওয়ায় ফ্রান্সের ওয়াইন এবং শ্যাম্পেনের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর পাশাপাশি আমেরিকার গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের দাবি সমর্থন না-করায় ইউরোপের আটটি দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। এই আটটি দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সও।

Advertisement
আরও পড়ুন