ICC U19 World Cup 2026

‘আমার দেখা সেরা খেলোয়াড় বৈভবই’, ১৪ বছরের ব্যাটারকে নিয়ে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের বাটলার, ১৭৫ রানের ইনিংসের ঘোরে মার্ক উডও

ছোটদের বিশ্বকাপ ফাইনালে বৈভব সূর্যবংশীর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ ইংল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার জস বাটলার এবং মার্ক উড। তাঁদের মতে, ফাইনালে ইংল্যান্ড খারাপ খেলেনি। তবে বৈভবের সামনে কিছু করারও ছিল না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৭
picture of cricket

বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বৈভব সূর্যবংশী। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে তার ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংসে মুগ্ধ গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। বৈভবের খেলায় উচ্ছ্বসিত জস বাটলারও। ১৪ বছরের ক্রিকেটারকেই তাঁর দেখা সেরা ক্রিকেটার বেছে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক। বাটলারের সতীর্থ মার্ক উড বলেছেন, ১৪ বছর বয়সে এমন খেলার কথা তিনি ভাবতেও পারতেন না।

Advertisement

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে এসেছেন বাটলার। ২০১৮ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল খেলেছেন বাটলার। ২০২৫ সালে রাজস্থান দলে নেয় বৈভবকে। বাটলার মনে করেন তাঁর প্রাক্তন আইপিএল দল বৈভবকে নিয়ে ঠিক কাজ করেছে।

এক সাক্ষাৎকারে বাটলার বলেছেন, ‘‘বৈভব সম্পর্কে একটা কথাই বলব। আমার দেখা সেরা ক্রিকেটার ও। ১৪ বছর বয়সেই এমন খেললে ১৬, ১৮ বা ২০ বছর বয়সে কী করবে ভাবতে পারছি না।’’ বাটলার আরও বলেছেন, ‘‘আমি আইপিএলের একটা ম্যাচে বৈভবকে পেয়েছি। সেই ম্যাচে ১০০ রান করেছিল। মহম্মদ সিরাজ, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, রশিদ খানদের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে ১৪ বছরের একটা ছেলে ওই ইনিংস খেলেছিল। বৈভবের শটগুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। ওর ব্যাট স্পিড, বল মারার দক্ষতা এবং ভয়ডরহীন ব্যাটিং দুর্দান্ত।’’

ছোটদের বিশ্বকাপে ভাল খেলেও ইংল্যান্ড বৈভবের কাছে হেরে গিয়েছে বলে মনে করেন বাটলার। তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ ইংল্যান্ড দল গোটা বিশ্বকাপে ভালই খেলেছে। ফাইনালের আগে পর্যন্ত অপরাজিতও ছিল। তার পর ওরা বৈভবের সামনে পড়ল। ১৫টা চার এবং ১৫টা ছয় মেরে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলল বৈভব। আর কী করবে! টেলিভিশনে খেলাটা দেখেছি। বৈভব শুধু ক্রিকেটের পরিচিত শট খেলেনি। এমন কিছু নতুন শট খেলেছে, যেগুলো সেরা।’’

সাক্ষাৎকারে বাটলারের সঙ্গে ছিলেন মার্ক উড। তিনি বলেছেন, ১৪ বছর বয়সে তাঁরা এমন খেলার কথা ভাবতেই পারতেন না। ইংল্যান্ডের জোরে বোলার বলেছেন, ‘‘আমি ভাবছি, ১৪ বছর বয়সে কী করেছিলাম আর বৈভব ১৪ বছর বয়সে কী করছে। অবিশ্বাস্য। ওই বয়সে আমি স্কুলের মাঠে খেলতাম। বরফের বল তৈরি করে ছোড়াছুড়ি করতাম। এমন কিছু ভাবতেও পারতাম না। এ ভাবে খেলা যায়, তার কোনও ধারনাই ছিল না। ওর খেলা দেখে কে বলবে, বয়স ১৪। ৩০ বছরের ব্যাটারদের মতো পরিণত শট খেলে!’’ ছোটদের বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে উডের বক্তব্য, ‘‘ফাইনালটা আমিও টেলিভিশনে দেখেছি। আমাদের ছেলেরা খারাপ খেলেনি। বড় ভুলও তেমন কিছু করেনি। কিন্তু বৈভব একাই সব ওলটপালট করে দিল। একার হাতে ম্যাচ নিয়ে চলে গেল। অসাধারণ।’’

Advertisement
আরও পড়ুন