Israel Lebanon Talks

মার্কিন মধ্যস্থতায় ইজ়রায়েল-লেবানন শান্তি বৈঠকের আগে বেইরুটকে চাপ হিজ়বুল্লা গোষ্ঠীর! দাবি, বৃথা যাবে চেষ্টা

দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে আমেরিকা এবং ইরানের। তবে পশ্চিম এশিয়ার অপর প্রান্তে এখনও সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষের অভিমুখ বদলে গিয়েছে লেবাননের দিকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৪৮
ইজ়রায়েলের সঙ্গে লেবাননের বৈঠকে সায় নেই সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লার।

ইজ়রায়েলের সঙ্গে লেবাননের বৈঠকে সায় নেই সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লার। —ফাইল চিত্র।

ইজ়রায়েলের সঙ্গে আলোচনায় না বসার জন্য লেবানন সরকারের উপর চাপ তৈরি করছে সে দেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা। মঙ্গলবার আমেরিকার ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে চলেছে লেবানন এবং ইজ়রায়েল। বৈঠকে মধ্যস্থতা করছে মার্কিন প্রশাসন। কিন্তু সেই বৈঠকে আদৌ কোনও সুরাহা হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে হিজ়বুল্লা।

Advertisement

আপাতত দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে আমেরিকা এবং ইরানের। তবে পশ্চিম এশিয়ার অপর প্রান্তে এখনও সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষের অভিমুখ বদলে গিয়েছে লেবাননের দিকে। সে দেশের দক্ষিণ প্রান্তে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী হিজ়বুল্লা। ইরান-ইজরায়েল উত্তেজনা তীব্র হওয়ার আগেই এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ইজ়রায়েলের যুদ্ধ চলছে। ২০২৩ সালে হামাস গোষ্ঠীর উপর ইজ়রায়েলের হামলার পর থেকেই হিজ়বুল্লার সঙ্গেও সংঘর্ষ শুরু হয় তেল আভিভের। ইরানের সঙ্গে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার সংঘাত শুরু হওয়ার পর হিজ়বুল্লা গোষ্ঠী এবং ইজ়রায়েলের সংঘর্ষ আরও বৃদ্ধি পায়।

সম্প্রতি সেই সংঘর্ষের আঁচ গিয়ে পড়েছে লেবাননের রাজধানী বেইরুটেও। সেখানেও হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল। আমেরিকার দাবি, ইরানের সঙ্গে তাদের যুদ্ধবিরতির শর্তে লেবাননের প্রসঙ্গ উল্লেখ ছিল না। একই দাবি ইজ়রায়েলেরও। এই পরিস্থিতিতে লেবাননে শান্তি ফেরানোর জন্য মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিওর মধ্যস্থতায় মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে থাকার কথা দু’দেশের রাষ্ট্রদূতেদেরও।

ওই বৈঠকের ঠিক আগেই হিজ়বুল্লা নেতা নঈম কাসেমের একটি ভাষণ সম্প্রচারিত হয় লেবাননের সংবাদমাধ্যমে। ওয়াশিংটনে হতে চলা বৈঠক আসলে একটি ‘ব্যর্থ’ চেষ্টা বলে দাবি করেছেন তিনি। লেবানন সরকারকে ওই বৈঠক থেকে সরে আসার জন্য বলেছেন কাসেম। তাঁর কথায়, লেবানন সরকারের এখন একটি ‘ঐতিহাসিক এবং সাহসী অবস্থান’ নেওয়ার সময় এসেছে।

হিজ়বুল্লা গোষ্ঠীকে অস্ত্রসমর্পণের চাপ দেওয়ার জন্যই ওয়াশিংটনে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে মনে করছেন কাসেম। সম্প্রচারিত ভিডিয়োবার্তায় তিনি বলেন, “ইজ়রায়েল স্পষ্টতই বলে দিয়েছে, এই আলোচনার লক্ষ্য হল হিজ়বুল্লাকে নিরস্ত্র করা। এ কথা নেতানিয়াহু আগেও বহু বার বলেছেন। তা হলে আপনারা (লেবানন সরকার) কী ভাবে এমন একটি আলোচনায় বসছেন?”

Advertisement
আরও পড়ুন