ট্যাঙ্কে চড়ে সকন্যা কিম জং উন। ছবি: সংগৃহীত।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, নতুন এই ট্যাঙ্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কিম। ওই ট্যাঙ্ক ছাড়াও আরও বেশ কিছু সমরাস্ত্রের প্রদর্শনী হয়। পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের মাঝে কিমের বার বার এই সেনা মহড়া, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষণের মাধ্যমে পরোক্ষে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে এক প্রকার সতর্কবার্তা দিতে চাইছেন বলেই আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে।
সম্প্রতি জাপান সাগরের পূর্বাংশে পর পর ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে শক্তি প্রদর্শন করে তাঁর বাহিনী। ঘটনাচক্রে, জাপান সাগরে আমেরিকা-দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ নৌমহড়া চলাকালীনই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঝাঁক নিক্ষেপ করে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ঙের কাছাকাছি একটি এলাকা থেকে ছোড়া হয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই আবার সেনা মহড়া হল পিয়ংইয়ঙে। সেখানে দেখা গেল তাঁর কন্যাকেও। এমনিতেই গত এক বছরের বেশ সময় ধরে কিমের উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা চলছে। যত সময় যাচ্ছে, সেই আলোচনা আরও জোরালো হচ্ছে। কন্যাকে পাশে নিয়ে বার বার বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান, সেনা মহড়ায় কিমকে দেখা যাওয়ায় কিম জুকে নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। ২০২২ সালে প্রথম প্রকাশ্যে দেখা যায় কিম কন্যাকে। সে দেশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় কিমের সঙ্গে দেখা যায় তাঁর কন্যাকে। তার পর মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাবার সঙ্গী হয়েছেন কিম জু।
তবে সম্প্রতি কিমের বোন কিম ইয়ো জঙের নামও প্রকাশ্যে আসে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনিও দেশের গদি ছাড়তে নারাজ। ফলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন ঘরের অন্দরেই বাধার মুখে পড়তে হতে পারে কিমকে। কারণ দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই মুহূর্তে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী ব্যক্তিত্ব হলেন কিমের বোন। রাজনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রেও তাঁর প্রভাব অপরিসীম। বিশেষ করে দেশের সেনাবাহিনীতে তাঁর প্রভাব যথেষ্ট। ফলে সে দিক থেকে চাপে পড়তে পারেন কিম।