ইরানের হামলার পর ইরাক উপকূলে জ্বলছে তেলের ট্যাঙ্কার। ছবি: সংগৃহীত।
সংঘর্ষ থামানোর জন্য এ বার তিন দফা শর্তের কথা জানিয়ে দিল ইরান। তেহরানের দাবি, এই সংঘর্ষ শুরু করেছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। এখন সংঘর্ষ থামাতে হলে তিন দফা শর্ত পূরণের কথা বলেছে ইরান। তাদের দাবি, ইরানকে তার ‘ন্যায্য অধিকার’ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একই সঙ্গে তেহরানের দাবি, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে তারা আগামী দিনে ইরানে আর আক্রমণ করবে না।
উপসাগরীয় দেশগুলিতে (সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ইত্যাদি) ইরানের হামলার নিন্দা করল রাষ্ট্রপুঞ্জের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক গোষ্ঠী নিরাপত্তা পরিষদ। বুধবার এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি ( পাঁচ স্থায়ী সদস্য এবং ১০ অস্থায়ী সদস্য) সদস্যরাষ্ট্র। ওই প্রস্তাবে উপসাগরীয় দেশগুলিতে ইরানের হামলার নিন্দা করে সংঘাত প্রশমনের আর্জি জানানো হয়েছে। তবে এই প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দেয়নি চিন এবং রাশিয়া। এই দুই দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
কুয়েতের দক্ষিণ দিকে ড্রোন হামলা। আহত হলেন দুই বাসিন্দা। ‘আল জাজ়িরা’-র প্রতিবেদনে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এই হামলার নেপথ্যে ইরান রয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। হামলার জেরে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ফের তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা ইরানের। বুধবার রাতে ইরাক উপকূলে দু’টি তেলের ট্যাঙ্কারে হামলা চালায় তারা। দু’টি জাহাজই অন্য দেশের পতাকাবাহী হলেও একটির মালিকানা স্বত্ব রয়েছে মার্কিন সংস্থার হাতে। স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনা অন্য মাত্রা নিয়েছে। বিস্ফোরণের পরেই দু’টি ট্যাঙ্কারে আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের শব্দও শোনা হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে এক জনের। দু’টি ট্যাঙ্কারে ৪ লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল বলে জানা গিয়েছে।