Donald Trump on Iran

ইরানে ‘বৃহৎ নৌবহর’ এবং ‘বড় সেনাদল’ পাঠাচ্ছে আমেরিকা! জানিয়ে দিলেন ট্রাম্প, এ বার কি তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু

দাভোসের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’-এর সম্মেলন থেকে আমেরিকায় ফেরার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের একটি বড় নৌবহর ওই দিকে (ইরান) যাচ্ছে। আমরা দেখব কী হয়। আমাদের বড় সৈন্যদলও ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৮
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

ইরানে ‘বড় সৈন্যদল’ এবং ‘বৃহৎ নৌবহর’ পাঠানোর কথা ঘোষণা করে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্বাভাবিক ভাবেই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ঘোষণার পরেই জল্পনা ছড়়িয়েছে যে, তেহরানের উপর সামরিক পদক্ষেপ করতে চলেছে তেহরান। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, ইরানের উপর নিবিড় নজরদারি চালানোর জন্য এই পদক্ষেপ করছেন তাঁরা। একই সঙ্গে ট্রাম্প আশাপ্রকাশ করেছেন যে, হয়তো ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার প্রয়োজন হবে না আমেরিকার।

Advertisement

দাভোসের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম’-এর সম্মেলন থেকে আমেরিকায় ফেরার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের একটি বড় নৌবহর ওই দিকে (ইরান) যাচ্ছে। আমরা দেখব কী হয়। আমাদের বড় সৈন্যদলও ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আমরা ওদের (ইরান) উপর নিবিড় ভাবে নজর রাখব।”

গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানুষ পথে নামলেও ক্রমে তা দেশের ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক বিদ্রোহের আকার নেয়। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিক্ষোভ দেখান হাজারো মানুষ। আমেরিকা এই গণবিক্ষোভকে সমর্থন করেছিল। কিন্তু বিদ্রোহীদের দমাতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করে। নির্বিচারে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আরও এক বার দাবি করেছেন যে, আমেরিকার চাপেই ইরানের সরকার কয়েকশো বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড বাতিল করেছে। ট্রাম্প বলেন, “বৃহস্পতিবার আমি ৮৩৭টা ফাঁসি আটকেছি। তাঁদের প্রত্যেককে ঝোলানো হত।” ইরানে মূলত অল্পবয়সিদেরই হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি ট্রাম্পের। এই প্রসঙ্গেই তাঁর সংযোজন, “আমি ওদের বলেছিলাম, যদি তোমরা এই মানুষদের মৃত্যুদণ্ড দাও, তা হলে তোমরা কঠিন আঘাত পাবে। ওরা মৃত্যুদণ্ড শুধু স্থগিতই করেনি, বাতিলও করেছে। এটা একটা ভাল ইঙ্গিত।”

Advertisement
আরও পড়ুন