Pakistan Economic Crisis

বিভিন্ন দেশে গিয়ে ‘অর্থ ভিক্ষা’ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধান! ‘লজ্জার কথা’ নিজেই শোনালেন শাহবাজ়

শাহবাজ় বলেন, “যখন আমি এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিক্ষা চাইতে যেতাম, তখন লজ্জা করত। ঋণ নেওয়া আত্মসম্মানের জন্য একটা বড় বোঝা। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যেত।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২২
(বাঁ দিকে) শাহবাজ় শরিফ এবং আসিম মুনির (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) শাহবাজ় শরিফ এবং আসিম মুনির (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

‘লজ্জার কথা’ শোনালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। জানালেন বিভিন্ন দেশে গিয়ে ‘অর্থ ভিক্ষা’ করার অভিজ্ঞতার কথা। শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পাক পণ্য রফতানিকারকদের একটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে শাহবাজ় জানান, কী ভাবে তিনি এবং পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনির অর্থের জন্য বিভিন্ন দেশে গিয়ে ভিক্ষা চেয়েছেন। তাঁদের এই কাজের জন্য পাকিস্তানে সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার পরিমাণ বেড়েছে বলেও দাবি করেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement

শাহবাজ় বলেন, “যখন আমি এবং ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিক্ষা চাইতে যেতাম, তখন লজ্জা করত। ঋণ নেওয়া আত্মসম্মানের জন্য একটা বড় বোঝা। লজ্জায় আমাদের মাথা হেঁট হয়ে যেত। তারা (ঋণদাতা দেশ) আমাদের কাছে এমন অনেক কিছু চাইত, যা আমরা আটকাতে পারিনি।”

একই সঙ্গে শাহবাজ়ের সংযোজন, “বর্তমানে বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু আপনারা জানেন যে, যখন কেউ ঋণ চাইতে যায়, তখন তার মাথা নিচু হয়ে যায়।”

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরেই অর্থনৈতিক সঙ্কট চলছে পাকিস্তানে। আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (আইএমএফ)-এর ঋণ সুনিশ্চিত করতে তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার শাহবাজ় জানান, তিনি পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তানকে শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধির জন্য মূলধন জোগানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের কাছ থেকে ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ পেয়েছে পাকিস্তান। এই অর্থ ইসলামাবাদকে বকেয়া ঋণ মেটাতে এবং বিদেশি মুদ্রায় ভান্ডার বাড়াতে সাহায্য করছে। এর ফলে পাকিস্তানের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার বাড়়লেও আইএমএফ অর্থ খরচের ব্যাপারে কিছু কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে রেখেছে। শুক্রবার শাহবাজ় জানিয়েছেন, দেশে অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা ফিরেছে। কর্মসংস্থান বাড়ছে এবং দারিদ্র কমছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারকেও বলা হয়েছে বলে জানান শাহবাজ়।

Advertisement
আরও পড়ুন