Arson Attack in London

লন্ডনে ইহুদি সংস্থার চারটি অ্যাম্বুল্যান্স জ্বালিয়ে দেওয়া হল! পুলিশের ধারণা, নাশকতা ইজ়রায়েল-বিদ্বেষ থেকেই

কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তিন জন হামলাকারী ছিলেন। তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৩:০১
লন্ডনে আগুনে পুড়ে যাওয়া অ্যাম্বুল্যান্স।

লন্ডনে আগুনে পুড়ে যাওয়া অ্যাম্বুল্যান্স। ছবি: রয়টার্স।

ব্রিটেনে ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে ইজ়রায়েল-বিদ্বেষ। লন্ডনে পর পর আগুনে পুড়ল চারটি অ্যাম্বুল্যান্স। চারটি অ্যাম্বুল্যান্সই পরিচালনা করত ইহুদিদের এক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। অ্যাম্বুল্যান্সগুলিতে দুর্ঘটনাবশত আগুন ধরেনি, সেগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এটিকে ‘ইহুদিবিদ্বেষী অপরাধ’ বলে বিবেচনা করছে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ।

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায়। সেখানে হাইফিল্ড রোডে চারটি অ্যাম্বুল্যান্স দাঁড়িয়ে ছিল। চারটিই ইহুদিদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘হাট্‌জ়োলা’র মালিকানাধীন। লন্ডনের দমকলবাহিনীর ছ’টি ইঞ্জিন এবং ৪০ জন দমকলকর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে অ্যাম্বুল্যান্সগুলি পুড়ে গিয়েছিল। কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, তিন জন হামলাকারী ছিলেন। তাঁদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের ওই এলাকার সুপারিনটেনডেন্ট সারাহ জ্যাকসন জানান, এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় প্রচুর ইহুদি বাস করেন। ‘বিবিসি’ জানাচ্ছে, ওই এলাকায় ১৯৭৯ সাল থেকে পরিষেবা দিয়ে আসছে হাট্‌জোলা। বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা এবং হাসপাতালে যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেয় এই প্রতিষ্ঠান। অ্যাম্বুল্যান্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে। অগ্নিসংযোগের পরে অ্যাম্বুল্যান্সে থাকা বেশ কিছু সিলিন্ডারে বিস্ফোরণ হয়েছে। ওই বিস্ফোরণের অভিঘাতে সংলগ্ন একটি ভবনও আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রয়টার্স জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইজ়রায়েলে হামাস গোষ্ঠীর হামলা এবং গাজ়ায় সংঘর্ষের পরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ‘ইহুদিবিদ্বেষ’ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রিটেনেও ইহুদিবিদ্বেষী আচরণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। গত বছর ম্যানচেস্টারে এক হামলায় প্রার্থনার সময়ে দু’জন ইহুদি নিহত হয়েছিলেন।

Advertisement
আরও পড়ুন