Israel-Somalialand Agreement

ইজ়রায়েলের নজর এ বার সোমালিয়ার বিদ্রোহীদের মুক্তাঞ্চলের দিকে! রাষ্ট্রের স্বীকৃতির পর শুরু সামরিক সহায়তা

ইজ়রায়েলই প্রথম দেশ হিসাবে আনুষ্ঠানিক ভাবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের এই কৌশলগত সহযোগিতার পদক্ষেপ ‘হর্ন অফ আফ্রিকা’য় প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩৫
Somaliland opens embassy in Jerusalem, signs cooperation deal with Israel

(বাঁ দিকে) আবদিরহমান মহম্মদ আবদুল্লাহি এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

‘স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র’ হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল আগেই। এ বার আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ার সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনী নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল সোমালিল্যান্ডের সঙ্গে সামরিক এবং কূটনৈতিক সমঝোতার পথ খুলল ইজ়রায়েল।

Advertisement

গত সপ্তাহে সোমালিল্যান্ডের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আবদিরহমান মহম্মদ আবদুল্লাহি জ়েরুসালেমে গিয়ে ইজ়রায়েলে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন। জ়েরুসালেমে সোমালিল্যান্ডের নতুন দূতাবাসের উদ্বোধনের পাশাপাশি ‘দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সহযোগিতা ঘোষণাপত্র’ সই হয়েছে ওই সফরে। সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের দফতর জানিয়েছে, ওই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে নিরাপত্তা, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ভিত্তি তৈরি হয়েছে। বুধবার সোমালিল্যান্ড মন্ত্রিসভা ইজ়রায়েলের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহির সহযোগিতা চুক্তি সই অনুমোদন করেছে। ঘটনাচক্রে, তার পর থেকেই ধারাবাহিক ভাবে সাইবার হামলার শিকার হচ্ছে সে দেশের বিভিন্ন সরকারি দফতরের ওয়েবসাইট।

প্রসঙ্গত, ইজ়রায়েলই প্রথম দেশ হিসাবে আনুষ্ঠানিক ভাবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দিয়েছে। নেতানিয়াহু সরকারের এই কৌশলগত সহযোগিতার পদক্ষেপ ‘হর্ন অফ আফ্রিকা’য় প্রভাব বিস্তারের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বলেই মনে করা হচ্ছে। ১৯৯১ সালে সোমালিল্যান্ডের সশস্ত্র বিদ্রোহী বাহিনী একতরফা ভাবে সোমালিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে ক্ষমতাসীন সরকারের নিরবচ্ছিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও গত তিন দশক ধরে ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের পরিকাঠামো গড়ে তুলেছে সোমালিল্যান্ড। রাজধানী হারগেইসায় অসামরিক প্রশাসনিক সদর দফতর স্থাপনের পাশাপাশি নিজস্ব ও সশস্ত্র বাহিনী, মুদ্রা এবং সমান্তরাল কূটনৈতিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও গড়ে তুলেছে। সেই সঙ্গে গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনে নিয়মিত নির্বাচনও হয় সোমালিল্যান্ডে।

Advertisement
আরও পড়ুন