Minneapolis Shooting

‘আতঙ্কে রয়েছি’! অভিবাসন কর্তার গুলিতে যুবতীর মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তাল আমেরিকা, মিনিয়াপোলিসে ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ

গত বুধবার মিনিয়াপোলিসে আইসিই-র কর্তা জোনাথন রসের গুলিকে মৃত্যু হয় ৩৭ বছর বয়সি রেনি নিকোল গুডের। সেই মৃত্যুর প্রতিবাদে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৪৪
Thousands of people marched in Minneapolis to protest on woman death case

আমেরিকার মিনিয়াপোলিসের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা। ছবি: পিটিআই।

আমেরিকার মিনিয়াপোলিসের রাস্তায় জড়ো হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভকারীদের হাতে আমেরিকার পতাকা, পোস্টার। তবে প্রায় সকলের মুখে আতঙ্কের ছাপ। তাঁদের কথায়, ‘‘আমরা আতঙ্কে রয়েছি।’’ অভিবাসন দফতর (আইসিই)-র এক কর্তার গুলি যুবতীর মৃত্যুর প্রতিবাদ আরও চওড়া হচ্ছে আমেরিকায়। স্থানীয় প্রশাসন বিক্ষোভকারীদের শান্তি বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

Advertisement

বিক্ষোভে আট থেকে আশি— প্রায় সব বয়সিকে দেখা যাচ্ছে। বুধবার থেকে দিকে দিকে চলছে বিক্ষোভ। শনিবারের বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা এক মহিলা মেগান মুরের কথায়, ‘‘আমরা সকলে এখন আতঙ্কের মধ্যে বাস করছি।’’ তাঁর ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই বিক্ষোভে পা মিলিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘আইসিই এমন একটি পরিবেশ তৈরি করছে, যেখানে কেউ নিরাপদ বোধ করছেন না। এমন পরিস্থিতি কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।’’ একই সুর শোনা যাচ্ছে বিক্ষোভকারীদের অনেকের মুখেই।

গত বুধবার মিনিয়াপোলিসে আইসিই-র কর্তা জোনাথন রসের গুলিকে মৃত্যু হয় ৩৭ বছর বয়সি রেনি নিকোল গুডের। সেই মৃত্যুর প্রতিবাদে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। মিনিয়াপোলিসের পুলিশপ্রধান ব্রায়ান ও’হারা জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ চলছে। শুক্রবার রাতে স্থানীয় এক হোটেলের বাইরে জড়ো হওয়া হাজার মানুষ আচমকাই অশান্ত হয়ে ওঠে। অফিসারদের লক্ষ্য করে পাথর, বরফের চাঁই ছোড়েন বিক্ষোভকারীরা।

মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে জোর দিয়ে জানান, বেশির ভাগ বিক্ষোভই শান্তিপূর্ণ ভাবেই হচ্ছে। তবে কোনও জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে ক্ষতি নেই। তবে কেউ যদি সম্পত্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেন বা কাউকে আঘাত করেন তবে রেয়াত করা হবে না।

গুডের মৃত্যুতে অভিযুক্ত আধিকারিকের পক্ষে সওয়াল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ওই কর্তা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার তাগিদেই। ওই যুবতী ইচ্ছাকৃত ভাবে অভিবাসন দফতরের আধিকারিককে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেই সময়ে নিজের প্রাণ বাঁচাতেই ওই ব্যক্তি গুডের গাড়ির দিকে গুলি ছোড়েন। তাতেই মহিলার মৃত্যু হয়। ট্রাম্পের পাশাপাশি, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও ওই জোনাথনকে সমর্থন করে একই দাবি করেছেন। মার্কিন প্রশাসনের এ হেন সমর্থন বিক্ষোভকারীদের বিস্মিত করেছে। অভিযুক্তের গ্রেফতারি এবং শাস্তির দাবিতে সরব তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন