Iran-US Conflict

‘হরমুজ় প্রণালীকে অবরুদ্ধ করতে দেব না! ইরানের বিস্ফোরকবোঝাই ১৬টি নৌকা ধ্বংসের দাবি করে ফের হুঁশিয়ারি আমেরিকার

দু’দেশের মধ্যে যখন দাবি, পাল্টা দাবি এবং হুঁশিয়ারির পর্ব চলছে, সেই মুহূর্তে ইরানের সংবাদমাধ্যম দাবি করে, হরমুজ় প্রণালীতে আমেরিকা কোনও কিছু করার চেষ্টা করলে আখেরে ক্ষতিই হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬ ০৯:১৯
বিস্ফোরকবোঝাই নৌকা ধ্বংসের দাবি আমেরিকার। সেই ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত।

বিস্ফোরকবোঝাই নৌকা ধ্বংসের দাবি আমেরিকার। সেই ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত।

ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, হরমুজ় প্রণালী থেকে তেলবাহী জাহাজ পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যেতে দেবে না। শুধু তা-ই নয়, ইরান রেভলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, এক লিটার তেলও উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। তার পরই আমেরিকা পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়, হরমুজ় প্রণালীকে অবরুদ্ধ করে রাখলে তার চরম খেসারত দিতে হবে ইরানকে।

Advertisement

দু’দেশের মধ্যে যখন দাবি, পাল্টা দাবি এবং হুঁশিয়ারির পর্ব চলছে, সেই মুহূর্তে ইরানের সংবাদমাধ্যম দাবি করে, হরমুজ় প্রণালীতে আমেরিকা কোনও কিছু করার চেষ্টা করলে আখেরে ক্ষতিই হবে। কারণ সেখানে একের পর এক মাইনবোঝাই নৌকা মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, হরমুজ় প্রণালীকে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করছে ইরান। ইরানের ১৬টি নৌকাকে ধ্বংস করেছে মার্কিন বাহিনী। তবে হরমুজ় প্রণালীতে কোনও বিস্ফোরক বিছিয়ে রাখা নেই বলেই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে মার্কিন সেনার তরফে কয়েকটি ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করে দাবি করা হয়, মাইনবোঝাই ইরানের নৌকা ধ্বংস করেছে তারা (যদিও সেই সব ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। পশ্চিম এশিয়া থেকে বিশ্বের অন্য প্রান্তে তেল সরবরাহ হয় উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে। এই পরিবহণে হরমুজ় প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ। এর এক দিকে ওমান, অন্য দিকে ইরান। সামরিক সংঘাত শুরু হতেই এই প্রণালীকে স্তব্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। কিন্তু আমেরিকা বার বারই হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, এখনই যদি হরমুজ় প্রণালীকে স্বাভাবিক না করা হয়, তা হলে ইরানকে ফল ভুগতে হবে।

প্রসঙ্গত, সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে হরমুজ় প্রণালীতে মাইন পুঁতে রাখার বিষয়টি জানানো হয়। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দুই আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে হরমুজ় প্রণালীতে কয়েক ডজন মাইন ইতিমধ্যেই পুঁতে রাখা হয়েছে। যদিও ওই প্রতিবেদনে মাইন পোঁতার নেপথ্যে ইরানের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি। মাইন পুঁতে রাখার বিষয় নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই সরাসরি ইরানকে সতর্ক করেন ট্রাম্প। তার পরই তিনি ইরানের ১৬টি নৌকা ধবংসের দাবি করলেন।

Advertisement
আরও পড়ুন