Gautam Adani Case

আদানিদের বিরুদ্ধে চলা ঘুষ-মামলা এখনই প্রত্যাহার করল না আমেরিকার আদালত, চাইল ট্রাম্প সরকারের ব্যাখ্যা

গৌতম আদানি এবং তাঁর ভাইপো সাগরের বিরুদ্ধে মামলা চলছে আমেরিকার আদালতে। গত মাসেই খবর ছড়ায়, ওই মামলার নিষ্পত্তি করতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন। ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য আদালতে আর্জি জানানো হয়েছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ১৮:০৮
আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি।

আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি। — ফাইল চিত্র।

ঘুষ এবং জালিয়াতি সংক্রান্ত অভিযোগে আমেরিকার আদালতে চলা মামলায় এখনই স্বস্তি পাচ্ছেন না আদানি গোষ্ঠীর কর্ণধার গৌতম আদানি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলা এখনই প্রত্যাহার করল না আমেরিকার আদালত। মার্কিন বিচার বিভাগ কেন মামলার নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে প্রশাসনকে। এর জন্য ১৩ জুলাই পর্যন্ত সময় দিয়েছে আদালত।

Advertisement

মার্কিন প্রশাসন যে আদানির বিরুদ্ধে মামলা আর টানতে চাইছে না, তা গত মাসেই প্রকাশ্যে এসেছিল। ঘুষ ও জালিয়াতির অভিযোগে আদানি এবং তাঁর ভাইপো সাগরের বিরুদ্ধে মামলা চলছে আমেরিকার ব্রুকলিন আদালতে। গত মাসে ‘নিউ ইয়র্ক টাইম্‌স’, ‘ব্লুমবার্গ’-সহ বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই মামলার নিষ্পত্তি করতে চাইছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এরই মধ্যে গত বুধবার ব্রুকলিনের আদালতে মামলা খারিজের আবেদন জানান আদানিদের আইনজীবী। তবে মার্কিন সরকার কী কারণে এবং কী কী যুক্তিতে আদানি পরিবারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা খারিজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা স্পষ্ট ভাবে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক নিকোলাস গারাউফিস।

মামলাটির নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়ে সরকারি আইনজীবীদের নোটিসে দেওয়া তথ্য অসম্পূর্ণ বলে মনে করছেন বিচারক। নির্দেশনামায় তিনি লিখেছেন, ওই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা নেই। এ বিষয়ে বিশদ তথ্য জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন বিচারক গারাউফিস।

উল্লেখ্য, আদানি গোষ্ঠীর মালিকানাধীন ‘আদানি গ্রিন এনার্জি লিমিটেড’ (এজিএল) বাজারের চেয়ে বেশি দামে সৌরবিদ্যুৎ বিক্রির বরাত পেতে অন্ধ্রপ্রদেশ-সহ ভারতের কয়েকটি রাজ্যের সরকারি আধিকারিকদের (যার মধ্যে মন্ত্রী, জনপ্রতিনিধিরাও রয়েছেন) ঘুষ দিয়েছিল বলে অভিযোগ। দাবি, ঘুষের অঙ্ক ২৬.৫ কোটি ডলার (২০২৯ কোটি টাকা)। তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে আমেরিকার বিচার বিভাগ এবং বাজার নিয়ন্ত্রক এসইসি সংস্থা এসইসি (সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন) যথাক্রমে ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনে অভিযোগপত্র পেশ করেছিল, যার ভিত্তিতে দায়ের হয় মামলা।

Advertisement
আরও পড়ুন