করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামনে রবিবার বিক্ষোভ। ছবি: রয়টার্স।
ইরানে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচি এবং লাহোরের কনসুলেটে বিক্ষোভের রিপোর্টে নজর রয়েছে তাদের। এমনটাই জানিয়েছে ইসলামাবাদস্থিত মার্কিন দূতাবাস। পাকিস্তানে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে তারা। ভিড় এড়িয়ে চলতে বলেছে। খবরে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে তারা।
ইসলামাবাদের মার্কিন দূতাবাস এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছে, করাচি, লাহোরে উপদূতাবাসে যে বিক্ষোভ চলছে, ইসলামাবাদের দূতাবাস এবং পেশোয়ারের উপদূতাবাসে যে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে তাদের নজর রয়েছে। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘পাকিস্তানে মার্কিন নাগরিকদের পরামর্শ দিচ্ছি, স্থানীয় সংবাদে নজরে রাখুন। ব্যক্তিগত সুরক্ষার দিকেও নজর রাখুন, কারা চারপাশে রয়েছেন জানুন। ভিড় এড়িয়ে চলুন।’ আমেরিকার নাগরিকেরা বিদেশে গেলে স্মার্ট ট্র্যাভেলর এনরোলমেন্ট প্রকল্পে নথিভুক্ত করার নিয়ম রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়লে ওই মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্থানীয় দূতাবাস বা উপদূতাবাস।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হানায় নিহত হয়েছেন। তার প্রতিবাদে রবিবার করাচিতে মার্কিন উপদূতাবাসের সামেন বিক্ষোভ দেখান কয়েক জন। ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন তাঁরা। সেখানে আগুন লাগানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালায় পুলিশ। তাতে প্রাণ যায় ১০ জনের। উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, ‘‘আমরা কয়েকটি মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছি। ২০ জনের বেশি আহত।’’ তাঁর দাবি, আহত এবং নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।