দুবাই বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে একের পর এক বিমান। — ফাইল চিত্র।
ইরানের যাতে পারমাণবিক ক্ষমতা না থাকে তার জন্য প্রযোজনীয় সমস্ত কিছু করা হবে। জারি থাকবে অভিযান। রাষ্ট্রপুঞ্জে এমনটাই দাবি করলেন ইজ়রায়েলের দূত। তাঁর দাবি, ‘‘ইরানের জনগণের স্বাধীনতা আসন্ন’’। সে দেশের নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় রয়েছে ইজ়রায়েল বলেও দাবি করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও দাবি করেছেন, ইরানে ‘শান্তি’ ফেরানোর লক্ষ্যে আগামী প্রায় পাঁচ সপ্তাহ অভিযান চলবে। সেই সময়সীমা বাড়তেও পারে।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘‘ইরানে বড় ধরনের হামলা অবশ্যম্ভাবী।’’ তাঁর দাবি, আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-সহ ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতার মৃত্যুর পরে সে দেশে কে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। জর্ডান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-তে ইরানের হামলায় তিনি ‘আশ্চর্য’ হয়েছেন বলেও দাবি করেন। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’ তাঁর প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে। তাতে উল্লেখ রয়েছে, পরিস্থিতির সামাল দিতে ইরানে এ বার আমেরিকার সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।
কাতারে আগেও হানা দিয়েছে ইরানের ড্রোন। ফের ইরানি ড্রোনের হানা কাতারের রাজধানী দোহাতে। শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ।
সোমবার ইরানের বেশ কয়েকটি ড্রোনকে ধ্বংস করে মাটিতে নামিয়েছিল কাতারের সেনাবাহিনী। তার পরেও শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ।
সোমবার বাহরিনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতের হামলা চালিয়েছে ইরান। সদ্যনিহত আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের অনুগামীদের মরণপণ প্রতিরোধ দেখে সামরিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই পূর্বাভাস দিয়েছেন আমেরিকা-ইজ়রায়েল যৌথবাহিনীর পক্ষে ইরানকে সহজে পরাস্ত করা সম্ভব হবে না। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংবাদপত্র ডেইলি মেইলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চার বা পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চালাতে হতে পারে।’’ সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘প্রয়োজনে আমেরিকা আরও দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত।’’