US Iran Tension

চিন থেকে আসা ইরানি জাহাজ দখল করে নিল মার্কিন ফৌজ! হরমুজ়ে উত্তেজনা, বৈঠক খারিজ করে বদলার বার্তা তেহরানের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, ইরানের জাহাজ তাঁদের দখলে। ভিতরে কী পণ্য আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাহাজটি চিন থেকে পণ্য নিয়ে ইরানে যাচ্ছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৫০
চিন থেকে পণ্য পরিবহণকারী ইরানি জাহাজে হামলা আমেরিকার।

চিন থেকে পণ্য পরিবহণকারী ইরানি জাহাজে হামলা আমেরিকার। —ফাইল চিত্র।

হরমুজ় প্রণালীতে ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ দখল করে নিয়েছে আমেরিকা। চিন থেকে জাহাজটি ইরান যাচ্ছিল। আমেরিকার অভিযোগ, তাদের অবরোধ চলাকালীন ওই জাহাজ হরমুজ়ে প্রবেশ করেছে। তাই জাহাজটি লক্ষ্য করে প্রথমে গুলি চালানো হয়। তার পর ওই জাহাজ সম্পূর্ণ দখল করে নেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, ইরানের জাহাজ তাঁদের দখলে। ভিতরে কী পণ্য আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বদলা নেওয়ার বার্তা দিয়েছে তেহরান। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় দফার বৈঠকও তারা খারিজ করে দিয়েছে।

Advertisement

মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড রবিবার রাতে জানায়, ইরানের বান্দার আব্বাস বন্দরের দিকে যাচ্ছিল একটি জাহাজ। তাতে ইরানের পতাকা ছিল এবং পণ্য পরিবহণ করা হচ্ছিল। তা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। এর পরেই ইরানের সেনা পাল্টা হুঁশিয়ারি দেয়। তারা জানায়, জাহাজটি চিন থেকে আসছিল। ইরানের সেনার বিবৃতি, ‘‘আমি সতর্ক করছি, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী শীঘ্রই এর জবাব দেবে এবং মার্কিন সেনার এই সশস্ত্র ছিনতাইয়ের বদলা নেবে।’’

ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প যে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিলেন, তার মেয়াদ শেষ হতে এখনও দু’দিন বাকি। মঙ্গলবার পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চলার কথা। কিন্তু হরমুজ়ের উত্তাপ তার আগেই ফের যুদ্ধ শুরু করে দিতে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা। ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনায় বসার জন্য পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। এ বারও তার নেতৃত্বে রয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। তবে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদসংস্থা রবিবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনও আলোচনায় বসবে না। তেহরানের দাবি, অতিরিক্ত দাবি করছে ওয়াশিংটন। এমন দাবি করা হচ্ছে, যা ইরানের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তা ছাড়া, হরমুজ়ে মার্কিন অবরোধ চলতে থাকলে ইরান কোনও আলোচনায় বসবে না বলে জানানো হয়েছে। অবরোধ তোলার কোনও ইঙ্গিত এখনও ট্রাম্প দেননি। ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মহম্মদরেজ়া আরেফ বলেছেন, ‘‘ইরানের তেল রফতানিতে রাশ টেনে অন্যদের জন্য নিরাপদ ব্যবস্থা আশা করা উচিত নয়। আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট— হয় সকলের জন্য একটা স্বাধীন তেলের বাজার নিশ্চিত করা হোক অথবা, সকলে নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে তার মূল্য দিক।

Advertisement
আরও পড়ুন