US Iran Ceasefire

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য চিনই সম্ভবত রাজি করিয়েছে ইরানকে! মনে করছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে আক্রমণ করে ইরানে। সেই থেকে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলে সংঘর্ষ। বুধবার সকালে ট্রাম্প সেই যুদ্ধে দু’সপ্তাহের বিরতির ঘোষণা করেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৯
(বাঁ দিক থেকে) শি জিনপিং, মোজতবা খামেনেই এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প।

(বাঁ দিক থেকে) শি জিনপিং, মোজতবা খামেনেই এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

চিনই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইরানকে আলোচনায় রাজি করিয়েছে। এমনটাই মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার সকালেই ইরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সংবাদসংস্থা এএফপি-কে ট্রাম্প জানান, তিনি মনে করেন আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য চিনই রাজি করিয়েছে ইরানকে।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে আক্রমণ করে ইরানে। সেই থেকে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলে সংঘর্ষ। বুধবার সকালে ট্রাম্প সেই যুদ্ধে দু’সপ্তাহের বিরতির ঘোষণা করেন। যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি দিয়েছে ইরানও। হরমুজ় প্রণালীও খুলে দিতে রাজি হয়েছে ইরান। আমেরিকা এবং ইরানের যুদ্ধে ইতি টানার জন্য মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল পাকিস্তান। আমেরিকা এবং ইরান, দুই দেশই পাকিস্তানের মধ্যস্থতার কথা স্বীকার করেছে। তবে এই যুদ্ধবিরতিতে চিনেরও একটি ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

চিনের বিদেশ মন্ত্রক বুধবার সকালেই একটি বিবৃতি দিয়েছে। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে তারা। একই সঙ্গে জানিয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বেজিং নিজের মতো চেষ্টা চালিয়েছে। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, “অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির জন্য এবং কূটনৈতিক আলোচনার জন্য চিন ধারাবাহিক ভাবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে।” তবে যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে চিনের কী ধরনের ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে বিশদ কোনও মন্তব্য করেনি বেজিং।

বুধবার সকালে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার সময় ট্রাম্প জোর দিয়ে জানান, হরমুজ় প্রণালী অবিলম্বে, সম্পূর্ণ এবং নিরাপদে খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরান রাজি হয়েছে। পরে ইরানের তরফে হরমুজ় খুলে দেওয়ার ব্যাপারেও ইতিবাচক মনোভাব দেখানো হয়। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী সইদ আব্বাস আরাঘচি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা যথাযথ ভাবে বিবেচনা করে তবেই হরমুজ় দিয়ে নিরাপদে যাতায়ত সম্ভব।

Advertisement
আরও পড়ুন