US-Iran Conflict

‘কূটনৈতিক সমাধান চান ট্রাম্প, তবে প্রয়োজনে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ হবে’! বৈঠকের আগে ইরানকে বার্তা আমেরিকার

ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত নতুন নয়। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে সেই সংঘাত বেড়েছে কয়েক গুণ। প্রায়ই দু’পক্ষ নরমে-গরমে একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩০
White House says Donald Trump\\\\\\\'s first option on Iran is diplomacy

(বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

কূটনৈতিক সমাধানই চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রয়োজনে ‘প্রাণঘাতী শক্তি’ ব্যবহার করতেও পিছপা হবেন না তিনি! ইরানের আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের প্রশাসনকে আবার বার্তা দিল হোয়াইট হাউস। বৃহস্পতিবার সুইৎজ়ারল্যান্ডের জেনেভায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আবার আলোচনায় বসছে ইরান ও আমেরিকা। তার আগে আবার তেহরানকে সতর্ক করে দিল ওয়াশিংটন।

Advertisement

ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সংঘাত নতুন নয়। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে সেই সংঘাত বেড়েছে কয়েক গুণ। প্রায়ই দু’পক্ষ নরমে-গরমে একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে পরমাণু চুক্তি নিয়েও আলোচনা। তবে প্রথম দু’দফার বৈঠকে কোনও রফাসূত্র বার হয়নি। অনেকেই তাই বৃহস্পতিবারের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে।

গত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক কার্যকলাপ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওই অঞ্চলে ৫০-এর বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি আমেরিকার যুদ্ধবিমানের আনাগোনা কয়েক গুণ বেড়েছে। আমেরিকার এই শক্তিপ্রদর্শনের মাঝেই ইরান পাল্টা শক্তিপ্রদর্শন করেছে। হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। ঘটনাচক্রে, হরমুজ প্রণালীর অদূরেই মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন-সহ একাধিক রণতরী। শুধু তা-ই নয়, নিজের দেশের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে রাশিয়া, চিনের শরণাপন্নও হচ্ছে ইরান।

ট্রাম্প প্রায়ই ইরানের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। ইরানকে সময় বেঁধে দিয়ে বোঝাপড়ায় আসার কথা বলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “কয়েক বছর ধরে এটা প্রমাণিত যে, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়ায় আসা সম্ভব নয়। আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়ায় আসতে হবে। না হলে খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে।” সেই ‘খারাপ কিছু’ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু তাঁর প্রশাসনের একাধিক কর্তাব্যক্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন, প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে প্রস্তুত আমেরিকা। ইরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে রেখেছে। তাদের হুঁশিয়ারি, আমেরিকার যে কোনও পদক্ষেপকে তারা যুদ্ধঘোষণা হিসাবেই বিবেচনা করবে। সেই আবহে ইরানকে বার্তা দিল হোয়াইট হাউস।

Advertisement
আরও পড়ুন