— প্রতীকী চিত্র।
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত মিলেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বার্তায়। ফলে বুধবার শুরু হওয়া নতুন অর্থবর্ষের (২০২৬-২৭) প্রথম দিনেই মাথা তুলল শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ১১৮৬.৭৭ পয়েন্ট উঠে থামল ৭৩,১৩৪.৩২ অঙ্কে। নিফ্টিও ৩৪৮ এগিয়েছে। থিতু হয়েছে ২২,৬৭৯.৪০-এ। তবে লেনদেন চলাকালীন এক সময়ে সেনসেক্স ২০১৭.০৩ উঠে গিয়েছিল। লগ্নিকারীদের মুনাফা ঘরে তোলার জেরে সেই উত্থান ধরে রাখতে পারেনি। এ দিন বিএসই-র লগ্নিকারীরা ফিরে পেয়েছেন ৯.৬ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার সম্পদ।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের শেষ মাস, অর্থাৎ মার্চ ভাল কাটেনি বাজারের। সেনসেক্সের পতনে লগ্নিকারীরা হারান ৫১ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার সম্পদ। এই সময়ে সূচকটি নেমেছে ১১.৪৮%। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এ দিন পড়তি বাজারে শেয়ার কিনতে নামেন বহু লগ্নিকারী। তা-ই মূলত টেনে তুলেছে সূচককে। তাতে ইন্ধন জুগিয়েছে রফা হোক বা না হোক, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দু’তিন সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে বলে ট্রাম্পের মন্তব্য। যে কারণে এ দিন বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলও ব্যারেলে নেমেছিল ১০০ ডলারের নীচে।
বিশেষজ্ঞ কমল পারেখের মতে, এ দিনের লাফ মূলত কম দামে শেয়ার কিনতে আগ্রহের প্রতিফলন। সার্বিক ভাবে বাজারের গতিপ্রকৃতি খারাপ। তার উপরে দেশে আগামী ছ’মাস কর্পোরেট সংস্থাগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, যুদ্ধের কারণে বাড়ছে জ্বালানি এবং কাঁচামালের দাম। মাথা তুলেছে এই ধরনের পণ্য আমদানির খরচও। ফলে সামগ্রিক ভাবে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। তাই চিন্তা থাকছে তাদের মুনাফায় প্রভাব নিয়েও।