— প্রতীকী চিত্র।
বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বরাবরই পিছিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত বিএসএনএল। তার উপর ৪জি পরিষেবা দেরিতে আনায় তারা বহু গ্রাহকও হারিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে এ জন্য দায়ী করে সংস্থাটির প্রতি মোদী সরকারের উদাসীন আচরণকে। তবে সম্প্রতি যোগাযোগ মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে, উন্নতির রাস্তায় জোরালো পদক্ষেপে এগিয়ে চলেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই টেলিকম সংস্থাটি। বাড়িয়ে চলেছে ব্যবসার পরিধিও। যে কারণে গত অর্থবর্ষে (২০২৫-২৬) বিএসএনএলের গ্রাহক প্রতি গড় আয়ের অঙ্ক (আরপু) ছুঁয়ে ফেলেছে ১০১ টাকা। যা তার আগের আর্থিক বছরের (২০২৪-২৫) তুলনায় ৪২% বেশি।
যদিও টেলিকম শিল্পেরই একাংশের মতে, হিসেব অনুসারে বিএসএনএলের গ্রাহক পিছু গড় আয় মোটেই ১০০ টাকা পেরোয়নি। সাকুল্যে ৯০-৯১ টাকার মতো। কেন হিসেবের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন করে তা ১০০ টাকা বলা হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলছে তারা। টেলিকম সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে প্রকাশ, এয়ারটেলের গ্রাহক পিছু গড় আয় এখন ২৫৯ টাকা। জিয়ো এবং ভোডাফোন আইডিয়ার (ভি) ক্ষেত্রে তা যথাক্রমে ২১৪ এবং ১৮৬ টাকা। ফলে বিএসএনএল যে বেশ কিছুটা পিছিয়ে তা স্পষ্ট, দাবি বিশ্লেষকদের।