—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়তেই জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ চড়েছে দেশ জুড়ে। তবে সরকারি মহলের বার্তা, আপাতত চিন্তার কারণ নেই। ভারতের শোধনাগারগুলিতে অগস্ট পর্যন্ত তেল-গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে। আপাতত ৭৫-৮০ দিনের মতো অশোধিত তেল মজুত আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার কর্তা বলেন, ‘‘আমাদের ক্ষেত্রে অশোধিত তেল সমস্যা নয়। হাতে আছে কমপক্ষে ৭৫ দিনের ভান্ডার। এলপিজি যা আছে, তাতে জুলাই পর্যন্ত চাহিদা মিটবে।’’ একাংশের অবশ্য দাবি, জুলাই বা অগস্ট বেশি দূরে নয়। ফলে খুব নিশ্চিন্ত থাকা যাচ্ছে না।
তেল সংস্থা সূত্র জানাচ্ছে, শোধনাগারে জুলাইয়ের জ্বালানি ঢুকে গিয়েছে। অগস্টের জন্য বরাত দেওয়া শেষ। তবে সূত্রটির স্পষ্ট বক্তব্য, জোগান নিয়ে আপাতত নিশ্চিন্ত হতে বলার মানে এই নয় যে, তেল-গ্যাসের দাম আর বাড়বে না। যুদ্ধ পরিস্থিতি ঘোরালো হলে সেই পথে হাঁটতে হতে পারে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, গত তিন মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি যে হারে ক্ষতির মুখে পড়েছে, তাতে আরও দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকছেই। সে ক্ষেত্রে দুর্ভোগ বাড়বে মানুষের।
অন্য দিকে, বেশি ইথানল মেশানো পেট্রলের ব্যবহার বাড়াতে সেগুলিতে উৎপাদন শুল্ক শূন্য করেছে কেন্দ্র। বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ই২২, ই২৫, ই২৭ এবং ই৩০ (পেট্রলে ইথানল মিশবে যথাক্রমে ২২, ২৫, ২৭ ও ৩০ শতাংশ) পেট্রল ওই সুবিধা মিলবে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, এতে লাভ কী হবে? দেশের রাস্তায় এখন ই২০ (২০% ইথানল ও ৮০% পেট্রল)-র বেশি ইথানল মেশানো পেট্রলে চলার কোনও গাড়ি নেই।