—প্রতীকী চিত্র।
কিছুটা স্বস্তি।
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত শুরুর পরে প্রথম যে দু’টি রান্নার গ্যাস বা এলপিজি বহনকারী ভারতীয় জাহাজ ইরানের ছাড়পত্র নিয়ে হরমুজ় প্রণালী পার হতে পেরেছিল, তার মধ্যে ‘শিবালিক’ নামের প্রথমটি সোমবার বিকেলে ভারতে পৌঁছল। গুজরাতের মুন্দ্রা বন্দরে নোঙর ফেলা ‘শিবালিক’ প্রায় ৪৬ হাজার টন এলপিজি পশ্চিম এশিয়া থেকে নিয়ে এসেছে। ২০ হাজার টন মুন্দ্রাতেই নামবে। বাকি ২৬ হাজার টন কর্নাটকের মেঙ্গালুরুতে।
জাহাজ মন্ত্রক জানিয়েছে, হরমুজ় পেরিয়ে আসা নন্দাদেবী নামের জাহাজটিও মঙ্গলবার গুজরাতের কাণ্ডলা বন্দরে নোঙর ফেলবে। তাতে প্রায় ৪৬ হাজার টন এলপিজি রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৮১ হাজার টন অশোধিত তেল নিয়ে রওনা হওয়া ‘জগ লড়কি’-ও মঙ্গলবার নবি মুম্বইতে পৌঁছবে। মন্ত্রকের বিশেষ সচিব রাজেশ কুমার সিনহা জানান, ‘‘বন্দরে এই সব জাহাজের নোঙর ফেলা এবং জ্বালানি নামানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’’ ইরানের সঙ্গে দৌত্য করে হরমুজ় দিয়ে আরও ৬টি তেল-গ্যাসবাহী জাহাজকে বের করে আনার চেষ্টা চলছে, খবর সূত্রের।
এলপিজি নিয়ে দুশ্চিন্তা অবশ্য বহাল। কারণ ৪৬ হাজার টন মানে ৩২.৪ লক্ষ সিলিন্ডার। ভারতে দৈনিক ৫০ লক্ষ সরবরাহ হয়। আজ পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা ফের জানান, এটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। তাই উদ্বেগ রয়েছে। কিন্তু গৃহস্থের এলপিজি জোগানে কোনও সমস্যা নেই। বুকিংয়ের ক্ষেত্রে প্রথম দিনে যে সমস্যা হয়েছিল, তা-ও অনেকটা মিটেছে। তার পরেও অনেকে আতঙ্কের ফলে ফোনে বুকিং করতে চাইছেন বলে সমস্যা থেকে গিয়েছে। কিন্তু বণ্টনকারীর দফতরে বুকিং করার লাইন কিছুটা কমেছে। ৯০% ফোনে, অনলাইনে হচ্ছে। ৭২% কোড মারফত সরবরাহ হচ্ছে। তেলের জোগানও ১০০% স্বাভাবিক।