Budget News 2026

ডিজিটাল অর্থনীতির মেরুদণ্ড গঠনে বিপুল কর-ছুটির প্রস্তাব! কী এই কর-ছুটি? লগ্নি টানতে কতটা কাজ করবে নির্মলার দাওয়াই?

ভারতে ডিজিটাল পরিষেবার মতো আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে দেশের বাইরে থেকে লগ্নি প্রয়োজন। সেই উদ্দেশ্যপূরণে বাজেটের ভাষণে অর্থমন্ত্রী জানান, যে সব বহুজাতিক সংস্থা ভারতে তথ্যকেন্দ্র তৈরি করে সারা বিশ্বে পরিষেবা দেবে, তারা করছাড় পাবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৫১
tax holiday

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

ভারতকে আগামী দিনে ডিজিটাল বিনিয়োগের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে গড়ে তুলতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় বাজেটে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পরিকাঠামোয় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। ক্লাউড পরিষেবার ক্ষেত্রে বিদেশি সংস্থাগুলির বিনিয়োগ টানার পথ প্রশস্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী। রবিবার নির্মলা ঘোষণা করেছেন, দেশীয় তথ্যভান্ডার (ডেটা সেন্টার) ব্যবহার করে যে সমস্ত বিদেশি সংস্থা বিশ্বব্যাপী ক্লাউড পরিষেবা দেবে তাদের পাশে দাঁড়াবে নয়াদিল্লি।

Advertisement

বাজেটের ভাষণে অর্থমন্ত্রী জানান, যে সব বহুজাতিক সংস্থা ভারতে তথ্যকেন্দ্র তৈরি করে সারা বিশ্বে পরিষেবা দেবে, তারা ২০৪৭ সাল পর্যন্ত করে ছাড় পাবে। একেই কর-ছুটি বলে ঘোষণা করেছেন নির্মলা। কর-ছুটির অধীনে থাকা সংস্থাগুলিকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণের কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

এই করছাড় অবশ্য কেবলমাত্র বিদেশি গ্রাহকদের পরিষেবা দেওয়া বিদেশি ক্লাউড সংস্থাগুলির জন্য প্রযোজ্য। তবে ভারতে বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি তথ্য পরিষেবা দিতে চাইলে, তা দিতে হবে কোনও দেশীয় সংস্থার মাধ্যমেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বে তথ্য সরবরাহ পরিষেবার ক্ষেত্রে ভারতকে হাব হিসাবে গড়ে তোলা। ভারতে ডিজিটাল পরিষেবার ক্ষেত্রে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে দেশের বাইরে থেকে লগ্নি প্রয়োজন। আগামী দিনে ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বাজার আরও উন্মুক্ত হতে চলেছে। সেই পরিষেবা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে যে পরিকাঠামো প্রয়োজন তার জন্য চাই বিপুল লগ্নি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে গোটা বিশ্বে তথ্য সরবরাহের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে এগিয়ে রাখার জন্য বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির জন্য এই ঢালাও কর ছাড়ের ঘোষণা।

এই আকর্ষণীয় করছাড় বিশাল আকারের তথ্যভান্ডার গড়ার জন্য বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করবে, আশা কেন্দ্রের। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর নকশা, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং এন্টারপ্রাইজ় ক্লাউডের মতো আন্তঃসংযুক্ত ক্ষেত্রগুলিতে সম্প্রসারণ ঘটলে তা ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতির মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করবে।

Advertisement
আরও পড়ুন