— প্রতীকী চিত্র।
ভুয়ো ফোন কল এবং এসএমএসের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে গ্রাহকের অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি আরও সহজ ও প্রযুক্তি নির্ভর করতে উদ্যোগী হল ট্রাই। সম্প্রতি টেলিকম ক্ষেত্রের এই নিয়ন্ত্রক খসড়া ‘টেলিকম কনজিউমার্স কমপ্লেন রিড্রেসাল (সংশোধন) রেগুলেশন, ২০২৬’ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রতারণামূলক কিংবা ভুয়ো কল এবং এসএমএস সম্পর্কে গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা আরও আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর করা প্রয়োজন। আরও দ্রুত তা দায়ের করার ব্যবস্থাও করতে হবে, যাতে তাড়াতাড়ি পদক্ষেপ করা যায়। আইভিআরএস, অ্যাপ, ওয়েবসাইট, চ্যাটবটের মতো পদ্ধতিগুলি এখন খুবই জনপ্রিয়। বহু সংখ্যক মানুষ এই প্রযুক্তিগুলি ব্যবহারও করেন। কিন্তু ট্রাইয়ের মতে, সেই অনুযায়ী অভিযোগের পরিকাঠামো এখনও ততটা উন্নত নয়। এই উন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।
ট্রাই তাদের প্রস্তাবে স্পষ্ট জানিয়েছে, আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ ভাবে অভিযোগ করতে এবং মীমাংসা হওয়ার পথে তার অগ্রগতি দেখার জন্য গোটা ব্যবস্থা বদলে ফেলতে হবে। পাশাপাশি, প্রতি দিন যে ভাবে মোবইল গ্রাহকের সংখ্যা বাড়ছে, তার জন্য আরও বেশি অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থাও তৈরি করতে হবে। সেই কারণেই সঞ্চারসাথি অ্যাপ এবং ওয়েবপেজের আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। তাদের প্রস্তাবগুলির প্রেক্ষিতে আগামী ৫ জুন পর্যন্ত সব পক্ষ মতামতও জানাতে পারবে।
অন্য দিকে, বহু দিন পরে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম সংস্থা বিএসএনএল তাদের মাসুল পরিবর্তন করতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, মোবাইল রিচার্জের প্রকল্পে সরাসরি
টাকার অঙ্ক না বাড়িয়ে দিনের সংখ্যা এবং সুবিধা কমানোর পথে হাঁটতে পারে সংস্থা। খুব শীঘ্রই এই নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে, দাবি বিএসএনএল সূত্রের। সম্প্রতি টেলিকম মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বৈঠক করে বলেছিলেন, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে সংস্থার গ্রাহক পিছু গড় আয় ৫০% বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করতে হবে। মনে করা হচ্ছে, সেই লক্ষ্য ছুঁতেই তড়িঘড়ি মাসুল পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত। জানা গিয়েছে, বেসরকারি সংস্থাগুলিও চলতি ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) গ্রাহকের মাসুল বাড়াতে পারে।