—প্রতীকী চিত্র।
এক দিকে মোবাইলে ভুয়ো কল এবং এসএমএস। অন্য দিকে, মৃত নাগরিকদের আধার তথ্য চুরি। ভারতের ডিজিটাল অগ্রগতির পথে এই দুই ধরনের প্রতারণার অসংখ্য ঘটনা সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে এ নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দুই কর্তৃপক্ষও। করা হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। বুধবার সংসদেদাঁড়িয়ে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরল সরকার।
বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ দাবি করেন, এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ২.৫ কোটি মৃত ভোটারের আধার বাতিল করেছেন। যাতে এই ব্যক্তিদের প্রাপ্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা অন্য কেউ বেআইনি ভাবে নিতে না পারে। মন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষে নিয়মিত এই ধরনের পদক্ষেপ করা হয়।আধারের জালিয়াতি রুখতে মুখের স্ক্যানিং চালু হয়েছে। এতে প্রতারণা কমবে বলে আশা।
অন্য দিকে কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০২৫-এ ভুয়ো কিংবা টেলি-বিপণন কল ও মেসেজের বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা ২৫ লক্ষ পেরিয়েছে। ২০২১-এ ছিল ৮.৫ লক্ষ। এই ধরনের কল বা মেসেজের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এয়ারটেল গ্রাহকদের। সংখ্যা প্রায় ১১.৭ লক্ষ। তার পরে জিয়ো, ১০.৭ লক্ষের কিছু বেশি। সম্প্রতি টেলিকম নিয়ন্ত্রক ট্রাই জানিয়েছিল, ডিসেম্বরে দৈনিক গড়ে ৭.৫ কোটি ভুয়ো কল আটকানো হয়েছে। ৩১ কোটির বেশি ফোন কল ও মেসেজকে ভুয়ো চিহ্নিত করেছে নিয়ন্ত্রকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক প্রযুক্তি। যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রশেখর পেম্মাসানির দাবি, টেলিকম সংস্থাগুলি যাতে এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয় সে দিকে নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রায় ১৫৪ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। সমস্যা মেটাতে টেলি-বিপণন সংস্থার জন্য ১৬০০ এবং আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য ১৪০০ সিরিজ়ের নম্বর চালু করেছে ট্রাই।