—প্রতীকী চিত্র।
পরিকাঠামোর উন্নয়নে কিছু প্রস্তাব থাকলেও, সরাসরি আবাসন বা গাড়ি শিল্পে চাহিদা বৃদ্ধি বা অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য বড় ঘোষণার কথা বাজেটে করেননি অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ফলে বাজেটকে ইতিবাচক বললেও, ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ খুঁজে পাচ্ছে না এই দুই ক্ষেত্র। এ দিনের ঘোষণার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোয় বরাদ্দ বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা করা। বেসরকারি নির্মাণ সংস্থাগুলিকে ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে তহবিল তৈরি। রাষ্ট্রায়ত্ত, আধা-সরকারি সংস্থা ও দফতরের উদ্বৃত্ত জমি বেসরকারি হাতে তুলে দিতে আলাদা রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট গঠন।
আবাসন শিল্পের সর্বভারতীয় সংগঠন ক্রেডাইয়ের সভাপতি শেখর পটেল বলেন, ‘‘বাজেটে হতাশ। কারণ আবাসন, বিশেষত কম দামি ফ্ল্যাট-বাড়ি নিয়ে কিছু ঘোষণাই হয়নি। বার্তা নেই জিএসটি নিয়েও।’’ অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর কর্ণধার হর্ষ নেওটিয়ার মতে, সরকারি সংস্থার উদ্বৃত্ত জমি বেসরকারি হাতে দেওয়া, শহরের পরিকাঠামোয় বরাদ্দ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। বাজেটে দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির শহরগুলির উন্নয়নে ৫০০০ কোটি টাকার তহবিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্রেডাই ওয়েস্ট বেঙ্গলের সভাপতি সুশীল মোহতা তার প্রশংসা করলেও, সাধ্যের আবাসনে পদক্ষেপ না থাকায় হতাশা গোপন করেননি। পূর্তি রিয়েলটির এমডি মহেশ আগরওয়াল যদিও দাবি, পরিকাঠামোয় জোর দিলে সাধ্যের আবাসনের চাহিদাও বাড়বে।
আবার গাড়ি সংস্থাগুলির সংগঠন সিয়ামের সভাপতি তথা টাটা মোটরসের কর্তা শৈলেশ চন্দ্র, স্কোডা অটো ইন্ডিয়ার এমডি পীযূষ অরোরা এবং হুন্ডাই মোটরসের এমডি তরুণ গর্গের বক্তব্য, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরিতে শুল্ক ছাড় বহাল রাখা, বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহৃত লিথিয়াম আয়ন সেল ও তার যন্ত্রাংশে শুল্ক ছাড়ের সুবিধা দু’বছর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। কেন্দ্র দীর্ঘমেয়াদি লাভের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দাবি মার্সিডিজ বেঞ্জ ইন্ডিয়ার এমডি সন্তোষ আইয়ারের।