—প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে উৎপাদনে গ্যাসের ঘাটতি এবং উৎপাদিত পণ্য মোড়কে ভরার (প্যাকেজিং) জন্য উপকরণের অভাবে বিপাকে পড়েছেন ইউরিয়া উৎপাদকেরা। তাই সার তৈরির সংস্থাগুলির সংগঠন ‘ফার্টিলাইজ়ার অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার’ (এফএআই) দাবি, অবিলম্বে সরকারের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। না হলে আসন্ন খরিফ শস্যের মরসুমের জন্য ইউরিয়া উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যাহত হবে। তাতে মার খেতে পারে দেশের কৃষি উৎপাদন। আর্জি জানিয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে এফএআই।
সোমবার সংসদে অবশ্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক জোগানশৃঙ্খলের সমস্যার মধ্যে দাঁড়িয়ে ভারতের রক্ষাকবচ হিসেবে দেশীয় ইউরিয়া উৎপাদনের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দাবি করেছেন, ‘‘আমরা কখনও আমাদের দেশের কৃষকদের গায়ে বিশ্ব বাজারের সমস্যার আঁচ লাগতে দিইনি। এমনকি কোভিডকালেও আন্তর্জাতিক দাম যেখানে কুইন্টাল প্রতি ৩০০০ টাকা ছিল, সেখানে ভারতে তা ৩০০ টাকা রাখতে পেরেছি।’’
মোদীর দাবি, আপৎকালীন পরিস্থিতি সামলানোর মতো সার মজুত রয়েছে দেশে। গত দশকে ছ’টি ইউরিয়া কারখানা চালু হয়েছিল, যেগুলির উৎপাদন ক্ষমতা বার্ষিক ৭৬ লক্ষ টন। পিএম কুসুম প্রকল্পে ডিজ়েল নির্ভরতা কমাতে ২২ লক্ষের বেশি সৌর পাম্পের সুবিধার কথা উল্লেখ করে তাঁর বার্তা, দেশের কৃষকদের সব রকমের সহায়তা দেবে সরকার।