—প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যতই তীব্র হচ্ছে, ভারতের বাজার ততই অস্থির হচ্ছে। বাড়ছে এ দেশ থেকে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলির পুঁজি তুলে নেওয়ার প্রবণতা। এতটাই যে, এখনও পর্যন্ত মার্চের লেনদেনে এই সব সংস্থা ভারতে বিক্রি করেছে প্রায় ১.১৪ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার। কোনও এক মাসে এর আগে এতটা পুঁজি তোলেনি তারা। গত বছরের পুরোটা সময় মিলিয়ে সেই অঙ্ক ছিল ১.৬৬ লক্ষ কোটি। সেখানে এ বছরে জানুয়ারি-মার্চেই তা পৌঁছেছে ১.২৭ লক্ষ কোটি টাকায়।এখনও এ মাসে সোমবার লেনদেন বাকি রয়েছে (মঙ্গলবার বাজার বন্ধ)। ফলে বিদেশি পুঁজি বেরোনোর অঙ্ক আরও বাড়তে পারে বলেআশঙ্কা বাড়ছে।
বাজার মহলের বক্তব্য, যুদ্ধ ঘিরে অনিশ্চয়তা তো রয়েইছে। সেই সঙ্গে দেশে টাকার দরে পতন, অশোধিত তেলের চড়া দামের প্রভাব ভারতের অর্থনীতির উপরে পড়ার আশঙ্কায় ঝুঁকি নিতে নারাজ বিদেশি লগ্নিকারীরা। তা ছাড়া আমেরিকার সরকারি বন্ডের ইল্ড বাড়ছে। ভারতে বহু সংস্থার শেয়ারের দাম এখনও অন্যান্য দেশের সংস্থাগুলির থেকে বেশি। যে কারণে অল্প মুনাফা দেখলেই শেয়ার বিক্রি করছে তারা।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ৯৪,০১৭ কোটি টাকার শেয়ার বেচেছিল ওই সব সংস্থা। যা ছিল এ পর্যন্ত রেকর্ড। আর এ বছর ফেব্রুয়ারিতে বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলির হাত ধরে বাজারে ঢুকেছিল ২২,৬১৫ কোটি টাকা। যা ১৭ মাসে সর্বাধিক।