NEET UG Controversy

বছরে তিন বার নিট হোক! চালু হতে পারে কম্পিউটার বেসড টেস্ট, পরামর্শ স্ট্যান্ডিং কমিটি-র

মেডিক্যাল শাখার স্নাতকে ভর্তির প্রবেশিকা ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) নিয়ে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে পরামর্শ লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ১২:২৯

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বছরে একাধিক বার মেডিক্যাল শাখার স্নাতকে ভর্তির প্রবেশিকা হতে পারে। লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি-র বৈঠকে এই প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। কমিটির সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) এবং ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের (এনএমসি) আধিকারিকদের বৈঠকে কী ভাবে পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে।

Advertisement

সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন অ্যাক্ট অনুযায়ী, নিট আয়োজন করা হয়েছিল কি না, সেই তথ্য এনএমসি এবং এনটিএ-এর আধিকারিকদের থেকে জানতে চেয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনটিএ-এর ডিরেক্টর জেনারেল অভিষেক সিংহ, উচ্চশিক্ষা সচিব বিনীত জোশি এবং এনএমসি চেয়ারম্যান অভিজিৎ সি শেঠ। কমিটির বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ রাম গোপাল যাদব।

বৈঠকে কমিটির অন্য সদস্যেরা দাবি করেন, পড়ুয়ারা এক বার পরীক্ষায় পাশ করতে না পারলে, কিংবা কোনও সমস্যার কারণে প্রবেশিকা বাতিল হলে তাঁদের আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। তাই তাঁরা যাতে একই বছরে ফের সুযোগ পায়, তার জন্য অন্তত তিন বার নিট ইউজি-র আয়োজন করা দরকার। তা না করা হলে পড়ুয়াদের উপর কুপ্রভাব পড়ে। বৈঠকে এই প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন উপস্থিত আধিকারিকেরা।

উল্লেখ্য, ২০১৮-তেও এই প্রস্তাবনা কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর দিয়েছিলেন। এনটিএ সেই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন কেন করে উঠতে পারেনি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। ২০২৩-এ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের সাপেক্ষে যুক্তি দেয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়, বছরে দু’বার পরীক্ষা নেওয়া হলে এমবিবিএস-এ ভর্তি এবং কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

২০২৪ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত একই সমস্যার কারণে পরীক্ষা বাতিল কিংবা নানান বিতর্কের মুখে এনটিএ। কেন সেই সমস্যার যথাযথ সমাধান করা হচ্ছে না, তা নিয়েও বৈঠকে উপস্থিত সাংসদেরা প্রশ্ন তোলেন। যাঁদের কারণে দেশের লক্ষাধিক পড়ুয়া সমস্যায়, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ কেন করা হয়নি এখনও, তা-ও উপস্থিত আধিকারিকদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে।

বৈঠকে কম্পিউটার বেসড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে এই প্রস্তাব কমিটিকে জানানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে গ্রামীণ এবং প্রান্তিক এলাকায় কম্পিউটার, ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়ার মত পরিকাঠামো কত দ্রুত গড়ে তোলা যেতে পারে? গড়ে তোলার পর তা কতটা সুষ্ঠু ভাবে পরীক্ষার আয়োজন করতে পারবে— তা নিয়ে পর্যালোচনার পরামর্শ দিয়েছে লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি।

Advertisement
আরও পড়ুন