গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম
ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন (এনসিটিই) অনুমোদিত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অধীনে থাকা রাজ্যের ডিএলএড-এ (ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন) এ বার থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে বায়োমেট্রিক উপস্থিতি।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী এবং পড়ুয়াদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। সরকারি, স্ব-শাসিত এবং বেসরকারি ডিএলএড প্রতিষ্ঠানগুলিতে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালু করার কথা জানানো হয়েছে পর্ষদের তরফে।
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেন, “আমরা চাই শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিয়ম মেনে পঠনপাঠন হোক। প্রতিটি কলেজ শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত মেনে শিক্ষক নিয়োগ হোক, তা-ই আমাদের লক্ষ্য।”
অভিযোগ, সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলিতে পড়ুয়াদের উপর নজরদারি চালানো হয় না। উপস্থিতির হার কম। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলি পড়ুয়াদের প্র্যাকটিক্যাল নম্বর, এবং পরীক্ষা বসার অনুমতি দিয়ে দেয়। এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে কড়া পদক্ষেপ পর্ষদের।
এ জন্য শুধু বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে উপস্থিতি নয়, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি রেকর্ড ও ছাত্রদের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে সাপ্তাহিক ভিত্তিতে আপডেট করাও বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে পর্ষদ। এ ছাড়া, পর্ষদের তরফ থেকে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কোনও প্রতিষ্ঠান যদি এই নির্দেশকে মান্যতা না দেয় তাহলে এনসিপিই আইন ১৯৩ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজগুলির স্বীকৃতি পর্যন্ত বাতিল হতে পারে।
বর্তমানে রাজ্যে ৬৫টি সরকারি এবং বেসরকারি ৫৯৬টি ডি এল এড কলেজ রয়েছে।