Calcutta University Youtube Channel

সমাজমাধ্যমে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সম্প্রচার! পথ চলা শুরু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন চ্যানেলের

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক জানান, বহু দিন ধরেই আলোচনা চলছিল কী ভাবে সমাজমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা কর্মকাণ্ড তুলে ধরা যায়। সময়ের চাহিদা মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা ঘটনাপ্রবাহকে সর্ব সমক্ষে নিয়ে আসার সব থেকে ভাল সুযোগ সমাজমাধ্যমে। সে কারণে চলতি মাসের গোড়াতেই এই বিষয়ে আলোচনা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:০১

— প্রতীকী চিত্র।

সমাজমাধ্যমে সক্রিয় হচ্ছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সে দিকে লক্ষ্য রেখে নতুন ইউটিউব চ্যানেল চালু করলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০২৬-এর ২৩ মার্চ সমাবর্তনের অনুষ্ঠান লাইভ সম্প্রচারিত হয়েছে ওই চ্যানেলের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা জানান, এই সম্প্রচার দিয়েই যাত্রা শুরু হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই চ্যানেলের।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আধিকারিক জানান, বহু দিন ধরেই আলোচনা চলছিল কী ভাবে সমাজমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা কর্মকাণ্ড তুলে ধরা যায়। সময়ের চাহিদা মেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা ঘটনাপ্রবাহকে সর্ব সমক্ষে নিয়ে আসার সব থেকে ভাল সুযোগ সমাজমাধ্যমে। সে কারণে চলতি মাসের গোড়াতেই এই বিষয়ে আলোচনা হয়।

কী ভাবে চলবে এই চ্যানেল?

উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ জানান, প্রাথমিক ভাবে স্থির হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত সব খবর এই চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাফল্যের নজির ওই চ্যানেলে রেখে দেওযা হবে। তিনি বলেন, “বর্তমান সময়ে মানুযের কাছে এই মাধ্যমকে ব্যবহার করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্টুডিও তৈরি করতে চলেছে। শুধু এই চ্যানেলের জন্য নয়, পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে।”

সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য ওই স্টুডিয়ো ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষকেরা বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করে তা রেকর্ড করতে পারবেন। পরে সেগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব চ্যানেলে সম্প্রচার করা হবে। এতে পড়ুয়ারা সহজেই বিভিন্ন বিষয়ের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে পারবেন বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক জানান, বহু বিশ্ববিদ্যালয় এ জাতীয় পদক্ষেপ করেছে। কলকাতার মত প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান অনেক পরে এই কাজ শুরু করল। তাঁর কথায়, “সময়ের দাবি মেনে এমন কর্মকাণ্ডে জড়াতেই হবে প্রতিষ্ঠানকে। তবে মনে রাখতে হবে বিষয়বস্তুর মান যেন প্রতিষ্ঠানের সুনামের পরিপন্থী না হয়।”

Advertisement
আরও পড়ুন