MPhil Admission in CU

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিতে সুযোগ উচ্চশিক্ষার, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু এমফিল-এ ভর্তি

২০২৫-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’বছরের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি এমফিল কোর্সটি কেন্দ্রের রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (আরসিআই)-র স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৪
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিষয়ে এমফিল করার সুযোগ মিলতে পারে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

২০২৫-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’বছরের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি এমফিল কোর্সটি কেন্দ্রের রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া (আরসিআই)-র স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। আবেদনের জন্য কোনও স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে নূন্যতম ৫৫ শতাংশ নম্বর-সহ সাইকোলজি, অ্যাপ্লাইড সাইকোলজি অথবা ক্লিনিকাল সাইকোলজি বিষয়ে মাস্টার অফ সায়েন্স বা মাস্টার অফ আর্টস ডিগ্রি থাকতে হবে। কোর্সটির জন্য প্রতি বছর ৫০০০ টাকা অ্যাডমিশন ফি, প্রতি মাসে ৫০০০ টাকা টিউশন ফি এবং বার্ষিক পরীক্ষার জন্য ১০০০ টাকা জমা দিতে হবে পড়ুয়াদের।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ের এম ফিল কোর্সে মোট ১২টি আসনে পড়ুয়াদের ভর্তি নেওয়া হবে। ভর্তির জন্য লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। লিখিত পরীক্ষায় মোট নম্বর থাকবে ১০০। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণেরাই মৌখিক পরীক্ষা দিতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজাবাজার সায়েন্স কলেজের ক্যাম্পাসে লিখিত পরীক্ষার আয়োজন করা হবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষার জন্য সকাল ১০টার মধ্যেই যথাস্থানে পৌঁছতে হবে পড়ুয়াদের। এর পর ১৬ ফেব্রুয়ারি মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

আবেদন করবেন কী ভাবে?

আবেদনের জন্য প্রথমে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে যেতে হবে। ‘হোমপেজ’ থেকে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে যেতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ২ ফেব্রুয়ারি আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটটি দেখতে হবে।

উল্লেখ্য, ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন)-র নির্দেশিকা অনুযায়ী এমফিল বা মাস্টার অফ ফিলোজ়ফি (এমফিল)-কে অবৈধ ডিগ্রি বলে ঘোষণা করা হয়। তবে, অনেক পড়ুয়াই পিএইচডি-র পরিবর্তে এমফিল করতে চান। সেই মতো, রাজ্য এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখনও এমফিল পড়ার সুযোগ দিয়ে থাকে। মূলত গবেষণামূলক পড়াশোনা করতে হয় এমফিল-এ।

Advertisement
আরও পড়ুন