—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্রের প্রতিলিপি দেখার জন্য আবেদন করার সময়সীমা ২৪ মে থেকে ২৫ মেরাত ১২টা পর্যন্ত বাড়িয়েছিল সিবিএসই বোর্ড। কিন্তু তার পরেও ক্ষোভ যাচ্ছে না পরীক্ষার্থীদের একাংশের। তাঁরা আবেদনের সময়সীমা আরও বাড়ানোর দাবি তুলেছেন। বেশির ভাগ পরীক্ষার্থীর এ-ও অভিযোগ, তাঁরা আবেদন করা সত্ত্বেও এখনও উত্তরপত্রের প্রতিলিপি দেখতে পাননি। ওই অংশের বক্তব্য, উত্তরপত্র দেখার পরে যদি তাঁরা কোনও প্রশ্ন চ্যালেঞ্জ করেন এবং তাঁদের নম্বর বাড়ে, সেই নতুন নম্বর আসতে দেরি হয়ে যাবে। তত দিনে অনেকটাই এগিয়ে যাবে কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া।
প্রসঙ্গত, এ বার সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির উত্তরপত্র মূল্যায়ন হয়েছে অন স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে। এই ব্যবস্থায় প্রায় ৯৮ লক্ষ উত্তরপত্র স্ক্যান করার পরে পাঠানো হয়েছে পরীক্ষকের কাছে। তিনি সেই স্ক্যান করা উত্তরপত্র কম্পিউটারে দেখে ডিজিটাল পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করেছেন। বিতর্ক বেধেছে এই অন স্ক্রিন মার্কিং পদ্ধতি নিয়েই। পরীক্ষার্থীদের একাংশের অভিযোগ, এই পদ্ধতিতে মূল্যায়ন ঠিক ভাবে হয়নি।
তাঁদের আরও প্রশ্ন, বেশ কয়েক দিন আগে আবেদন করা হলেও এখনও উত্তরপত্রের প্রতিলিপি পাননি তাঁরা। এক পরীক্ষার্থী বলেন, ‘‘গত ১৩ মে ফল বেরিয়েছে।আমি যা নম্বর পেয়েছি, তাতে সন্তুষ্ট নই। সব বিষয়ের উত্তরপত্র দেখার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু এখনও একটাও পাইনি।’’
যাঁরা উত্তরপত্র পেয়েছেন, তাঁদের একাংশের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র অস্পষ্ট এসেছে। ফলে যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে কিনা, থাকছে সেই প্রশ্ন। কেউ কেউ আবার অভিযোগ করেছেন, ঠিক উত্তর লেখা সত্ত্বেও পুরো নম্বর পাননি।
সিবিএসই বোর্ড অবশ্য জানিয়েছে, যে কোনও প্রশ্ন চ্যালেঞ্জ করা যাবে। এর জন্য এ বার উত্তরপত্রের প্রতিলিপি দেখার খরচ এবং প্রশ্ন চ্যালেঞ্জ করার খরচ কমানো হয়েছে। আগে যেখানে একটি বিষয়ের উত্তরপত্র দেখার জন্য ৭০০ টাকা লাগত, সেটা এ বার লাগবে ১০০ টাকা। প্রশ্ন চ্যালেঞ্জ করার জন্য প্রশ্নপিছু ১০০ টাকার বদলে লাগবে মাত্র ২৫ টাকা। বোর্ডের আরও দাবি, উত্তরপত্রের মূল্যায়ন স্বচ্ছ ভাবেই হয়েছে।