— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
পড়াশোনায় এগিয়ে থাকতে হবে, খেলাতেও তুখোড় হওয়া চাই— এমন বিষয় নিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের ভাবনার অন্ত নেই। ইঁদুর দৌঁড়ে টিকে থাকতে গিয়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্কটও বাড়ছে। তাই ছোটদের মন ভাল রাখতে এবং মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) প্রতিটি স্কুলে কাউন্সেলর বা ওয়েলনেস টিচার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে। তাঁদের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা যাচাই করার জন্য যে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তাতে অনলাইনে নজরদারি চলবে।
‘অনলাইন রিমোট ইনভিজিলেশন এগ্জ়ামিনেশন’ শীর্ষক পরীক্ষার মাধ্যমে সব স্কুলে নিযুক্ত সোশিয়ো-ইকোনমিক কাউন্সেলর’ বা কাউন্সেলিং এবং ওয়েলনেস শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা হবে। বাস্তব সমস্যার সমাধান তাঁরা কী ভাবে করছেন, পড়ুয়ার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির বিচারে ঠিক-ভুলের ফারাক কী ভাবে বোঝাচ্ছেন— এই সব বিষয়ও ওই পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, শুধু মাত্র পুঁথিগত বিদ্যার উপর নির্ভর করেই পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষার কাজ করা যাবে না। অস্বাভাবিক আচরণ, পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব তৈরি হওয়ার নেপথ্যে পড়ুয়াদের সমস্যা তলিয়ে দেখতে হবে। সে দক্ষতা নিযুক্ত কাউন্সেলর এবং ওয়েলনেস টিচারদের মধ্যে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে।
কৃত্রিম মেধা দ্বারা পরিচালিত একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ওই মূল্যায়ন করা হবে। কাউন্সেলর এবং ওয়েলনেস টিচাররা কী ভাবে উত্তর লিখছেন, অসাধু উপায় বেছে নিচ্ছেন কি না— ওই বিশেষ প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এই সব বিষয়ে নজরদারি করা হবে। এ ক্ষেত্রে তাঁরা বাড়িতে বসেই ওই পরীক্ষা দিতে পারবেন। ডিজিটাল মাধ্যমের সাহায্যে তাঁদের উপর নজরদারি চলবে। পরীক্ষার জন্য স্কুলগুলিকে কাউন্সেলর এবং ওয়েলনেস টিচারদের নাম বোর্ডের কাছে জমা দিতে হবে।