বিরাট কোহলি। —ফাইল চিত্র।
ছন্দে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রায় এক বছর পর আবার টি-টোয়েন্টি খেলতে নামলেও ছন্দ নষ্ট হয়নি তাঁর। আইপিএলের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে ঝোড়ো ইনিংস খেললেন কোহলি। কিন্তু জিততে পারলেন না। সতীর্থদের কাছেই হার দিয়ে শুরুটা হল।
২৮ মার্চ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে বেঙ্গালুরু। তার আগে চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেন কোহলিরা। দু’টি দলে ভাগ করা হয় ক্রিকেটারদের। এক দলের অধিনায়ক ছিলেন ক্রণাল পাণ্ড্য। অপর দলের অধিনায়ক ছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার। কোহলি, জিতেশ শর্মা, টিম ডেভিডরা ছিলেন বেঙ্কটেশের দলে। ক্রুণালের দলে ছিলেন রজত পাটীদার, দেবদত্ত পড়িক্কল, ভুবনেশ্বর কুমারেরা।
প্রথমে ব্যাট করে ২৩৪ রান করেন বেঙ্কটেশরা। ওপেন করতে নেমে মাত্র ১২ বলে ২৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন কোহলি। ডেভিড ১৪ বলে ৩৬ ও বেঙ্কটেশ ১৬ বলে ৩০ রান করেন। চমক দেন জিতেশ শর্মা। গত মরসুমে ফিনিশারের ভূমিকায় ভাল খেলেছিলেন তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচে ৩৭ বলে ৮১ রান করেন জিতেশ।
তবে সেই রানও তাড়া করে নেন ক্রুণালেরা। তিনি নিজে ৩৩ বলে ৫৮ রান করেন। পড়িক্কল ৩৩ বলে ৬৩ ও আরসিবির প্রকৃত অধিনায়ক পাটীদার ২৫ বলে ৭৪ রান করেন। ২০ ওভারে ২৪৭ রান করে দল। খেলা শেষে খুনসুটিতেও মাতেন কোহলিরা। দেখে বোঝা যাচ্ছে, দলের সাজঘরের পরিবেশ ফুরফুরে।
ব্যাটারেরা ফর্মে থাকলেও একটি চিন্তা কিন্তু আরসিবির থেকেই যাচ্ছে। দুই ইনিংসে ২৩৪ ও ২৪৭ রান তো বেঙ্গালুরুর বোলারদের বিরুদ্ধেই হয়েছে। যদি আইপিএলেও এই ছবি দেখা যায়, তা হলে সব দায়িত্ব গিয়ে পড়বে ব্যাটারদের কাঁধে। শুধু ব্যাটিংয়ের জোরে কিন্তু ট্রফি জেতা যাবে না। ফলে বোলিংয়ের দিকে নজর দিতেই হবে কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে।