প্রতীকী চিত্র।
বার বার অভিযোগ উঠছে নিট নিয়ে। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ৩ মে-র নিট ইউজি বাতিল ঘোষণা করে নিয়ামক সংস্থা এনটিএ। আগামী ২১ জুন নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বার সেই পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।
মঙ্গলবারের বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দাবি করেন, সর্বভারতীয় এই প্রবেশিকা পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতেই হবে। কোনও ফাঁক থেকে থাকলে, তা অবিলম্বে চিহ্নিত করে পদক্ষেপ করতে হবে বলে নির্দেশ দেন আধিকারিকদের। ৩ মে-র ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে কর্তৃপক্ষ বদ্ধপরিকর।
পরীক্ষা চলাকালীন যে কোনও রকম অনিয়ম রুখতে পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সে জন্য জেলাস্তরে বৈঠকের কথা ভাবা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সব জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে নিয়ে বৈঠক হবে। সেখানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্ব পরীক্ষা সংক্রান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। রাজ্যের তরফেই সমস্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
এরই পাশাপাশি উঠে আসে পরীক্ষার্থীদের প্রসঙ্গ। বৈঠকে তাঁদের শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশ দেন,পরীক্ষার্থীদের সুবিধার দিকেও নজর রাখতে হবে। পরীক্ষায় সময় তাঁদের যেন কোনও অসুবিধা না হয়, তা-ও সুনিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরিবহণ, পানীয় জলের মতো বিষয়গুলির নিয়েও ভাবনাচিন্তার জায়গা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ঘিরে গোটা দেশে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। গত ৩ মে নিট-ইউজি পরীক্ষা হয়। কিন্তু তার পরই প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠতে শুরু করে। ঘটনাচক্রে, ২০২৪ সালেও ঠিক একই রকম ভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতেই এ বার পরীক্ষার ন’দিনের মধ্যে তা বাতিল করে দিয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। এ অবস্থায় সর্বভারতীয় স্তরে প্রবেশিকা পরীক্ষা আয়োজনে কেন্দ্রের ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি।