Group D recruitment exam

এসএসসি গ্রুপ ডি পরীক্ষার আগেই বাতিল ৫৭ জন, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শুরু রাজ্য জুড়ে পরীক্ষা

গত রবিবার, ১ মার্চ গ্রুপ সি শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল সহ ধরা পড়েছিলেন এই ৫৭ জন প্রার্থী। যাঁরা গ্রুপ সি-র পাশাপাশি গ্রুপ ডি-র পরীক্ষায় বসার আবেদন করেছিলেন। অসাধু উপায় অবলম্বন করার জন্য তাঁদের গ্রুপ সি পাশাপাশি গ্রুপ ডি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:২৬
নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব চিত্র।

রাজ্য জুড়ে শুরু হল এসএসসি গ্রুপ ডি পরীক্ষা। রবিবার ৫৪৮৮টি শূন্যপদের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন ৮ লক্ষ ৯ হাজার মতো প্রার্থী। রাজ্য জুড়ে ১,৭০৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষায় বসার আগেই ৫৭ জন পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ড বাতিল করল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)।

Advertisement

এসএসসি জানাচ্ছে, গত রবিবার, ১ মার্চ গ্রুপ সি শিক্ষাকর্মী নিয়োগের পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল সহ ধরা পড়েছিলেন এই ৫৭ জন প্রার্থী। যাঁরা গ্রুপ সি-র পাশাপাশি গ্রুপ ডি-র পরীক্ষায় বসার আবেদন করেছিলেন। অসাধু উপায় অবলম্বন করার জন্য তাঁদের গ্রুপ সি পাশাপাশি গ্রুপ ডি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমস্ত সেন্টার ইনচার্জের কাছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফ থেকে তালিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে এই পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসতে না পারেন।

রাজারহাট থেকে এসেছেন প্রিয়াঞ্জনা গোলদার। গত রবিবার গ্রুপ সি-র যে পরীক্ষা হয়েছিল, সেখানেও তিনি অংশগ্রহণ করেছিলেন। গ্রুপ ডি পরীক্ষাতেও তিনি অংশ নিলেন। তাঁর বক্তব্য, "ভয় একটা রয়েছে। স্বচ্ছ ভাবে নিয়োগ হলে আশা করছি, যা পরীক্ষা হয়েছে, চাকরি পাব। তবে যাঁরা চাকরিরত ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আমরা যাঁরা নতুন তাঁদের লড়াই তো রয়েছে। অতিরিক্ত ৫ নম্বর তাঁদের দেওয়াতেই এই সমস্যা।"

রবিবার হাওড়া ও শিয়ালদহ শাখায় বহু ট্রেন বাতিল রয়েছে। পলাশকুমার ঘোষ নদীয়ার বড়জাগুলিয়া থেকে এসেছেন ট্রেনে করে। তিনি জানান, "আমরা বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে জানতে পেরে সময়ের অনেক আগেই ভোরবেলা বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। ফলে, ট্রেনের কোনও সমস্যায় পড়িনি। তবে দূর থেকে চটি পরে আসা সম্ভব নয়। তাই বুট পড়ে আসতে হয়েছিল। কিন্তু এখানে আমাকে বুট খুলে খালি পায়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ করতে হচ্ছে।"

গ্রুপ ডি পরীক্ষাতেও এ রাজ্যের পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ভিন্‌ রাজ্যের পরীক্ষার্থীরাও রয়েছেন। যেমন বিহার, উত্তর প্রদেশ থেকে বহু পরীক্ষার্থী এসেছেন পরীক্ষা দিতে। বিহারের বাসিন্দা প্রিয়া বলেন, "এখানে সরকারি পরীক্ষা হচ্ছে শুনে আমি পরীক্ষা দিতে এসেছি। এখানকার দুর্নীতির সম্বন্ধে আমার জানা নেই। বিহারে বিগত কয়েক বছরে সে ভাবে সরকারি স্তরে কোনও পরীক্ষা হয়নি।"

হাওড়া থেকে পরীক্ষা দিতে এসেছেন খুশবু সাহা। তিনি বলেন, "রাজ্যের সরকারি পরীক্ষা নিয়ে বহু দুর্নীতির কথা শুনেছি। বহু বছর বাদে শিক্ষাকর্মী নিয়োগ হচ্ছে রাজ্যে। আশা করছি, এ বার সরকার স্বচ্ছ ভাবে নিয়োগ করবে।"

Advertisement
আরও পড়ুন