ছবি: সংগৃহীত।
রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভি-এর ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ। আনুষ্ঠানিক ভাবে গত ৩০ মে বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের রাজ্যজুড়ে বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়। এ বার রাজ্যের মাদ্রাসা স্কুলের ছাত্রীরাও পাবে এই ভ্যাকসিন। মাদ্রাসা বোর্ডের তরফে এমনই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গের এক জেলা স্কুল পরিদর্শক জানান, এই কর্মসূচি রাজ্যের সরকারি, সরকার পোষিত এবং মাদ্রাসা স্কুলের সকল ছাত্রীদের জন্যই প্রযোজ্য। ১৪ বছরের বেশি এবং ১৫ বছরের কম বয়সের শিক্ষার্থীদের এই টিকা দেওয়া হবে। যদি কোনও পড়ুয়ার অভিভাবক জানান তাঁর মেয়ের টিকা আগে থেকেই নেওয়া রয়েছে, সে ক্ষেত্রে আর তাকে টিকা নিতে হবে না।
মাদ্রাসা বোর্ডের তরফে ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারির তরফে এই বিশেষ নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, এই পুরো অভিযানটি চালানোর সময়ে স্বাস্থ্য দফতরের তৈরি করা বিশেষ নিয়মাবলী এবং গাইডলাইন (এসওপি) কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। এই টিকাকরণ অভিযান সফল করতে জেলা প্রশাসনের নোডাল অফিসার এবং সিএমওএইচ অফিসের নির্ধারিত আধিকারিকদের একযোগে কাজ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকার সমস্ত মাদ্রাসার প্রধানদের এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে, যাতে কোনও সমস্যা ছাড়াই সমস্ত ছাত্রী এই টিকা পেয়ে যায়।
উল্লেখ্য, রাজস্থানের আজমের থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে এই ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জেলা স্তরে এই টিকা দেওয়ার প্রশিক্ষণ চলছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা স্তরের পর শুরু হবে ব্লক স্তরের প্রশিক্ষণ। প্রায় তিন মাস ধরে সাড়ে সাত লক্ষ মেয়েকে এই টিকা বিনামূল্যে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।