CBSE Court Order

সিবিএসই পোর্টাল ফের খোলার আর্জি খারিজ করল দিল্লি হাই কোর্ট, শুনানি সরল নিয়মিত বেঞ্চে

শুনানি চলাকালীন সরকারের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, পোর্টালটি ফের খুললে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী পরীক্ষার ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ২০:১৪

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

সিবিএসই-এর দ্বাদশ শ্রেণির খাতা যাচাইকরণ এবং পুনর্মূল্যায়নের পোর্টালটি ফের খোলার জন্য কোনও জরুরি নির্দেশ দিল না দিল্লি হাই কোর্ট। ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া-র (এনএসইউআই) তরফে ‘অন-স্ক্রিন মার্কিং’ (ওএসএম) পদ্ধতি বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিল। শুক্রবার, সেই মামলার শুনানিতে এই রায় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সূত্রের খবর, শুনানি চলাকালীন সরকারের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী তুষার মেহতার যুক্তি ছিল, পোর্টালটি ফের খুললে বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী পরীক্ষার ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে। তিনি আদালতকে জানান, প্রায় ১৭.৮ লক্ষ শিক্ষার্থী দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দিয়েছেন, এখন পোর্টাল খোলার নির্দেশ দিলে ফলাফল ঘোষণা ও ফল-পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিলম্ব হবে। এর পরই বিচারপতি বলেন, ফলাফলে কোনও বিলম্ব হওয়া কাম্য নয়।

পোর্টাল বন্ধ হওয়ার পর, সেটি ফের খোলা হোক এবং আবেদনের মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে বেশ কিছু শিক্ষার্থী সমাজমাধ্যমে আবেদন করেছিলেন। সেই ভিত্তিতেই দিল্লি হাই কোর্টে এনএসইউআই-এর তরফে এই জনস্বার্থ মামলাটি করা হয়েছিল। এনএসইউআই-এর সভাপতি বিনোদ জাখরের মাধ্যমে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ ছিল, দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে ক্ষুব্ধ। বোর্ডের পোর্টালে আপলোড করা উত্তরপত্রের স্ক্যান কপি অত্যন্ত ঝাপসা, বহু খাতার গুরুত্বপূর্ণ পাতা অমিল, খাতার সঙ্গে হাতের লেখার সাযুজ্য নেই এবং বহু মেধাবী পড়ুয়াকে অপ্রত্যাশিত ভাবে অত্যন্ত কম নম্বর দেওয়া হয়েছে। আর তাতে শিক্ষার্থীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

মামলাকারী যে হেতু এনএসইউআই-র সদস্য তাই গত ৮ জুন দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলার বিচারকের কাছে রাজনীতিকে দূরে রাখার দাবি করেছিলেন সিবিএসই-র এমএ নিয়াজি। অন্য দিকে এনএসইউআই-এর দাবি ছিল, এই জালিয়াতি রুখতে পোর্টালটি আরও এক মাস খোলা থাক, খাতাগুলি হাতেকলমে ফের মূল্যায়ন করা হোক। পাশাপাশি স্বাধীন তদন্তের দাবিও তোলা হয়েছিল। শুক্রবার ১২ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল।

শুক্রবার, পোর্টাল খোলার অনুমতি দিল না দিল্লি হাইকোর্ট। পাশাপাশি, বিচারপতি নীনা বনসল কৃষ্ণা এবং বিচারপতি মধু জৈনের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন বেঞ্চ এই বিষয়ের মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চের অধীনে তালিকাভুক্ত করেছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন