Jadavpur University

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেঙে দেওয়া হল পুরনো বিভাগ, দু’টি পৃথক বিষয়ে গঠন করা হল আলাদা স্কুল

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, বর্তমানে এই দুই বিভাগে চার জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন এবং দু'জন ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের। ‌

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ২৩:১২
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

দীর্ঘ ৩৭ বছর পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের 'অ্যাডাল্ট কন্টিনিউয়িং এডুকেশন অ্যান্ড এক্সটেনশন' বিভাগকে ভেঙে দু'টি পৃথক স্কুল তৈরি করা হল।‌ ১ এপ্রিল থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, 'অ্যাডাল্ট কন্টিনিউয়িং এডুকেশন অ্যান্ড এক্সটেনশন' বিভাগকে ভেঙে জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কনটিনিউইং এডুকেশন নামে পৃথক দু'টি স্কুল গঠন করা হল। এ বার থেকে এই স্কুলগুলির মাধ্যমেই স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি দেওয়া হবে।

জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশনের অধ্যাপক সান্ত্বন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ইউজিসি ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্টে ( নেট) 'অ্যাডাল্ট, কন্টিনিউয়িং এডুকেশন-এর পৃথক বিভাগ রয়েছে। তার অধীনে একই সঙ্গে মাস কমিউনিকেশন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কনটিনিউইং এডুকেশন পড়ানো হয়। কিন্তু যাদবপুরে অ্যাডাল্ট কন্টিনিউয়িং এডুকেশন বিষয়টি পড়ানো না হলেও, আলাদা একটি বিভাগ থাকায় তৈরি হয়েছে জটিলতা। আর এই বিভাগের অধীনে দু'টি পৃথক বিষয় পড়ানো হত এত দিন। তার ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের ডিগ্রি পাওয়ার পর চাকরির ক্ষেত্রে নানা সমস্যা তৈরি হত।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, বর্তমানে এই দুই বিভাগে চার জন শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন এবং দু'জন ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ের। ‌এ বিষয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি স্কলার ঋতম ভট্টাচার্য বলেন, "আমি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেছি। বর্তমানে পিএইচডি করছি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দাবি ছিল যে জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন এবং দু'জন ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট, দু'টি আলাদা বিষয় হিসেবে পড়ানো হোক। কারণ আমাদের যে ডিগ্রি দেওয়া হয় সেখানে 'অ্যাডাল্ট, কন্টিনিউয়িং এডুকেশন অ্যান্ড এক্সটেনশন' লেখা থাকে। তার পরে আমাদের নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। অবশেষে এই সমস্যার সমাধান হল।’’

Advertisement
আরও পড়ুন