JU administration

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর কর্মসমিতি ও কোর্টে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি থাকতে চলেছেন

২০১৪ সাল থেকে লাগাতার এই নিয়ে আন্দোলন করেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। অবশেষে জানুয়ারি মাসে কর্মসমিতির বৈঠকে ৫০০-র কাছাকাছি শিক্ষক স্মারকলিপি জমা দে‌ন নির্বাচনের দাবিতে। তার পরে বিশ্ববিদ্যালয় এই নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৩
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

দীর্ঘ ১৬ বছর পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসমিতি এবং কোর্টে নির্বাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি থাকতে চলেছেন। যদিও এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের একাংশ এই নির্বাচনকে বৈধ বলে মনে করছেন না। ২০১০ সালে শেষ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিল। তার পর থেকে সরকারের নতুন আইন আসার পরেও এই নির্বাচন করা হয়নি বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরে।

Advertisement

২০১৪ সাল থেকে লাগাতার এই নিয়ে আন্দোলন করেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন। অবশেষে জানুয়ারি মাসে কর্মসমিতির বৈঠকে ৫০০-র কাছাকাছি শিক্ষক স্মারকলিপি জমা দে‌ন নির্বাচনের দাবিতে। তার পরে বিশ্ববিদ্যালয় এই নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ।এই নির্বাচনে কর্মসমিতিতে ১০ জন শিক্ষক এবং কোর্টে ১৭ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২৭ মার্চ। কিন্তু সব মিলিয়ে ৫টি ফ্যাকাল্টি থেকে কর্মসমিতি এবং কোর্টে মোট ১৭ জন শিক্ষকসংখ্যা দাঁড়িয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফল ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক সমিতি (জুটা) সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি আইন সংশোধনের পর এই প্রথম পুরনো কোন‌ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন করা হল।

যাদবপুর এ রাজ্যের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সাহায্য করবে তাদের কর্মসমিতি ও সেনেটে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য।"নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক ফ্যাকাল্টি থেকে কোর্ট মেম্বার ৫ জন করে শিক্ষক নির্বাচিত হন এবং কর্মসমিতিতে প্রত্যেক ফ্যাকাল্টি থেকে ৩ জন করে।

এ ছাড়া ইন্টারডিসিপ্লিনারি স্টাডিজথেকে কোর্ট এবং কর্মসমিতিতে দু'জন করে সদস্য নির্বাচিত হন। অল বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (আবুটা)-এর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই নির্বাচনকে 'অগণতান্ত্রিক' আখ্যা দিয়েছে। আবুটা-র জেনারেল সেক্রেটারি গৌতম মাইতি বলেন, "ইতিমধ্যেই এই নির্বাচনকে নিয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে। বিষয়টি এখন‌ও বিচারাধীন। তাই এই নির্বাচন গণতান্ত্রিক নয়, বেআইনি ভাবে হয়েছে। এর কোন‌ও আইনি ভিত্তি নেই।"যদিও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে নতুন আইন অনুযায়ী গৌড়বঙ্গ ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে শিক্ষকেরা রয়েছেন।

Advertisement
আরও পড়ুন