Teacher transfer process

শিক্ষক-পড়ুয়া সমতা বজায় রাখতে বদলি! দুই জেলায় স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করল সরকার

০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের প্রায় আট হাজার স্কুলে কোনও ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি। অথচ, এই স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার! কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের একটি রিপোর্ট উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৪
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

শিক্ষক-পড়ুয়া সমতা বজায় রাখতে বদলি ব্যবস্থা চালু করছে রাজ্য। জানা গিয়েছে, যে সব স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা কম বা শূন্য সেখান থেকে অতিরিক্ত শিক্ষকদের এমন স্কুলে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে যেখানে শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।

Advertisement

ইতিমধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) দু’টি জেলায় শিক্ষকদের বদলির জন্য সুপারিশপত্র দেওয়া শুরু করেছে। এই দু’টি জেলা হল পূর্ব মেদিনীপুর ও পুরুলিয়া। সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩৯ জন শিক্ষককে বদলি করা হচ্ছে অন্যত্র। এসএসসি সূত্রের খবর, সরকারি অনুমতি পাওয়ার পর এই সমস্ত শিক্ষকদের সুপারিশ পত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে জানান হচ্ছে ধীরে ধীরে সমস্ত স্কুলে এই বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশের প্রায় ৮০০০ স্কুলে কোনও ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি।

অথচ, এই স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের একটি রিপোর্ট উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল, পড়ুয়াশূন্য এই সমস্ত স্কুলের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যের ৩,৮১২টি স্কুলে ২০২৪-২৫ সালে কেউ ভর্তি হয়নি। স্কুলগুলিতে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যাতেও বাংলাই সবচেয়ে এগিয়ে। এ রাজ্যের ভর্তিশূন্য ৩,৮১২টি স্কুলে মোট ১৭,৯৬৫ জন শিক্ষক কর্মরত।

এই পরিস্থিতিতে বদলি হতে চলেছে, তা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন শিক্ষকেরা। যদিও তাঁরা আঙুল তুলছেন সরকারের দিকেই। শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, এই সরকারের ভুল শিক্ষানীতির ফলেই সারা রাজ্যে বহু স্কুল পড়ুয়াশূন্য হয়ে গিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “সব স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে অন্যত্র বদলি করে দিলে তাঁরা অন্তত মানসিক শান্তি নিয়ে পড়াতে পারেন। কিন্তু সরকার কি আদৌ তা চাইছে? আমাদের সন্দেহ রয়েছে।”

Advertisement
আরও পড়ুন